ঢাকা, শনিবার 14 December 2019, ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১৬ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

আমাদের পার্টিতে আসা সবাই অনুপ্রবেশকারী নয়: ওবায়দুল কাদের

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: জাতীয় সম্মেলনকে সামনে রেখে নেতাকর্মীদের মধ্যে কোনো ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা বরদাস্ত করা হবে না বলে সতর্ক করে দিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘কাঁদা ছোড়াছুড়ি বন্ধ করতে হবে। আমাদের মধ্যে নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকবে। কিন্তু সেই প্রতিযোগিতা হবে সুস্থ। আমি নেত্রীর পক্ষ থেকে পরিষ্কার জানিয়ে দিতে চাই, কোনো ধরনের অসুস্থ প্রতিযোগিতা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না।’

আজ (শুক্রবার) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে, আওয়ামী লীগের জাতীয় কাউন্সিল ঘিরে করণীয় নিয়ে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন ওবায়দুল কাদের।

অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও সাম্প্রদায়িক শক্তির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ছাড়া যারা আওয়ামী লীগে এসেছে, তারা অনুপ্রবেশকারী নয় বলে জানান তিনি। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের পার্টিতে যারা এসেছে, তারা সবাই অনুপ্রবেশকারী নয়। অনেক ক্লিন ইমেজের লোকও পার্টিতে এসেছে। তাদের ব্যাকগ্রাউন্ডে সাম্প্রদায়িকতায় জড়িত থাকার অভিযোগ নেই, মামলা-মোকদ্দমা নেই, অপরাধে জড়িত থাকার রেকর্ড নেই। তারা অবশ্যই অনুপ্রবেশকারী নয়।’ এ সময়, বিতর্কিত না হলে আওয়ামী লীগে কেউ বাদ যায় না, শুধু দায়িত্বের পরিবর্তন হয় বলেও জানান তিনি।

বিএনপি নেতাদের পদত্যাগ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়, এটা বিএনপির নেতিবাচক রাজনীতির অনিবার্য পরিণতি। আমি এক কথায় এটাই বলব।’

‘১৬ ডিসেম্বরের আগেই রাজাকারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা’

এদিকে, মহান বিজয় দিবসের আগেই রাজাকারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তিনি জানান, এরইমধ্যে রাজাকারদের তালিকা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। জেলা প্রশাসকদের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে। সবার কাছ থেকে তালিকা নিয়ে ১৬ ডিসেম্বরের আগেই রাজাকারদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করা হবে। এছাড়া পাঠ্যবইয়ে মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকারদের ভূমিকা নিয়ে লেখাও সংযুক্ত করা হবে।

আজ (শুক্রবার) সকালে গাজীপুরের রথখোলায় বঙ্গতাজ মিলনায়তনে ঢাকা-ময়মনসিংহ বিভাগের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপকমিটি এই সভা আয়োজন করে।

মোজাম্মেল হক বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা নিয়ে অসন্তোষ আছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর বছর, ২০২০ সালে সে অসন্তোষ দূর করা হবে। মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে ১৫ হাজার দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধাকে ঘর-বাড়িও করে দেয়া হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ