ঢাকা, শনিবার 9 November 2019, ২৫ কার্তিক ১৪২৬, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশকে হারিয়ে সমতায় ভারত

স্পোর্টস রিপোর্টার : টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম ম্যাচে মতো দ্বিতীয় ম্যাচটি হলোনা বাংলাদেশের। প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় দিয়ে শুরু করেছিল টাইগাররা। দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের ধারা ধরে রাখতে পারলে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিচ নিশ্চিত করতে পারত বাংলাদেশ। তাতে ভারতের মাটিতে এক ম্যাচ হাতে রেখেই প্রথম টি-টোয়েন্টি সিরিজ জয়ের ইতিহাস গড়ত বাংলাদেশ। কিন্তু দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে সে সুযোগ দেয়নি ভারত। দ্বিতীয় ম্যাচেই নিজেদের আধিপত্য দেখিয়ে বাংলাদেশকে হারিয়ে ৮ উইকেটে। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে অধিনায়ক রোহিত শর্মার ব্যাটে অবশ্য ঘুরে দাঁড়িয়েছে ভারত। রাজকোটে রোহিত শর্মার ঝড়ো হাফসেঞ্চুরিতে ৮ উইকেটে বাংলাদেশকে হারিয়েছে স্বাগতিকরা। এই জয়ের ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ১-১ সমতায় ফিরিয়েছে রোহিত শর্মার দল। 

ফলে ১০ নবেম্বরে তৃতীয় ম্যাচটি হয়ে থাকলো দু-দলের জন্য সিরিজ জয়ের ম্যাচ।  রাজকোটে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে করে ১৫৩ রান। অবশ্য রানটা আরো বড় হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুরুর মতো রানের গতিটা শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে পারেনি টাইগাররা। কারণ বাংলাদেশকে ১৫৩ রানে আটকে দেয় ভারত। জয়ের জন্য ১৫৪ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা করে ভারত। চাহিদা মিটিয়ে রান তুলতে থাকেন দুই ওপেনার রোহিত শর্মা ও শিখর ধাওয়ান। পাওয়ার প্লের পুরো ফায়দা লুফে নেন  রোহিত। শত রান পার করে ফেলা উদ্বোধনী এই জুটি ভাঙেন আমিনুল। ততক্ষণে জয়ের কাছে  পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। ২ উইকেট হারিয়ে ভারত জয়ের বন্দরে পৌছায় ১৫.৪ ওভারে। দুই ওপেনারের পর শ্রেয়াস আইয়ার ও লোকেশ রাহুল জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন। আইয়ার ১৩ বলে ২৪ রানে অপরাজিত ছিলেন, রাহুল ৮ রানে।  দুই ওপেনারের মধ্যে রোহিতই সবচেয়ে বেশি ঝড়ো গতিতে ব্যাট করছেন। নিজের শততম ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ঝড়ো হাফসেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ভারতের ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক। সেঞ্চুরির লক্ষ্যেই ছিলেন এক সময়। তাকে সেঞ্চুরি বঞ্চিত করেছেন আমিনুল। রোহিত ৪৩ বলে ফিরেছেন ৮৫ রানে। তার আগে আমিনুল বিদায় দিয়েছেন শিখর ধাওয়ানকে। দেখে শুনে খেলছিলেন তিনি। বেরিয়ে এসে তিনি বোল্ড হয়ে ফিরেছেন ৩১ রানে। তার আগে টস হেরে আশানুরূপ স্কোর পায়নি বাংলাদেশ। অথচ ব্যাটিং বান্ধব পিচ হিসেবে খ্যাতি আছে রাজকোটের সৌরাষ্ট্র স্টেডিয়ামের। শুরুটা দারুণ হলেও দ্রুত উইকেট পতনে  শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৫৩ রান করতে পেরেছে সফরকারীরা। বাংলাদেশ আজকেও দারুণ শুরু পায় মোহাম্মদ নাঈমের কল্যাণে। ভারতের বোলারদের ওপর চাপ সৃষ্টি করে খেলেছেন তরুণ এই ব্যাটসম্যান। সেই বিপজ্জনক নাঈমকে ফিরিয়ে ইনিংসের মাঝপথে স্বস্তি ফেরায় ভারত। তার বিদায়ের পর পর ছন্দপতন ঘটে বাংলাদেশের। সফরকারী দলের দুই ওপেনার লিটন দাস ও  মোহাম্মদ নাঈমের আগ্রাসী সূচনায় পাওয়ার প্লেতে ভালো সংগ্রহ পেয়েছিল সফরকারীরা। দ্রুত ৬ উইকেট পড়লে শেষ দিকে মোসাদ্দেক-আমিনুল চাহিদা অনুযায়ী স্কোর বোর্ড সমৃদ্ধ করতে পারেননি। ভারতের পক্ষে সেরা বোলিং ছিল চাহালের। ২৮ রানে নিয়েছেন দুই উইকেট। প্রথম ম্যাচের পর খলনায়কে পরিণত হওয়া খলিল আহমেদ আজকেও ছিলেন খুব বেশি ব্যয়বহুল। ৪ ওভারে একটি উইকেট নিলেও দিয়েছেন ৪৪ রান। একটি করে আরও উইকেট নেন চাহার ও ওয়াশিংটন। ম্যাচসেরা রোহিত শর্মা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ