ঢাকা, রোববার 8 December 2019, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ১০ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২ ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৬

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: ব্রাহ্মণবাড়িয়া দুইটি ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১৬জন নিহত হয়েছে। এতে আহত হয়েছে আরও অর্ধশতাধিক যাত্রী।নিহতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত উদ দৌলা দুর্ঘটনার তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, উদ্ধার তৎপরতা চালানো হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ১৬ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাস্থলের কাছে একটি অস্থায়ী ক্যাম্প খোলা হয়েছে।

মঙ্গলবার ভোররাত সোয়া তিনটার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার মন্দবাগে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকাগামী তূর্ণা নিশীথা এবং সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেসের মধ্যে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে বিবিসির খবরে বলা হয়।

রেলওয়ে পুলিশের আখাউড়া থানার ওসি শ্যামল কান্তি দাস জানিয়েছেন, তূর্ণা নিশীথার ধাক্কায় উদয়ন এক্সপ্রেসের মাঝের দুইটি বগি দুমড়ে মুচড়ে যায়।এ সময় একটি ট্রেনের একাধিক বগি আরেকটি ট্রেনের কয়েকটি বগির ওপর উঠে যায়।এসব বগির নীচে কেউ আটকে আছে কিনা, তার অনুসন্ধান চলছে।

জানা গেছে, সিলেট থেকে চট্টগ্রামগামী উদয়ন এক্সপ্রেস লুপ লাইন দিয়ে মন্দবাগ স্টেশনে প্রবেশ করছিল রাত দুইটা ৪৩ মিনিটে। ওই সময় ঢাকাগামী চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা তুর্ণা নিশীথা এক্সপ্রেস মন্দবাগ স্টেশনের মূল লাইনে দাঁড়ানোর কথা। তুর্ণা ট্রেনটি স্টেশনে না দাঁড়িয়ে স্বাভাবিক গতিতে চলতে থাকে। উদয়ন এক্সপ্রেস লুপ লাইনে ঢোকার মুখে তুর্ণা এক্সপ্রেসে ধাক্কা দেয়। উদয়ন এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনের দিক থেকে ৭, ৮ ও ৯ নম্বর বগি তুর্ণা ট্রেনের ইঞ্জিনের ধাক্কায় চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়। দুর্ঘটনার পর ভোর ছয়টার দিকে উদয়ন এক্সপ্রেস ক্ষতিগ্রস্ত তিনটি কোচ ও এর পেছনের তিনটি কোচ রেখে দিয়ে ছয়টি কোচ নিয়ে সিলেটে রওনা দিয়েছে। তুর্না এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হয়ে গেছে।

ব্রাহ্মণাবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত-উদ-দৌলা খান ও পুলিশ সুপার মো. আনিসুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছে। উদ্ধারকাজে অংশ নিয়েছে দুটি রিলিফ ট্রেন।

এদিকে দুর্ঘটনার পর ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম-সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। খুব দ্রুতই রেল যোগাযোগ শুরু হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

ডিএস/এএইচ

 

 

 

 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ