ঢাকা, শুক্রবার 22 November 2019, ৮ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

কবিতা

ছায়া ছান্দস 

আজিজ ইবনে মুসলিম

 কতো অজানা প্রান্তর পেরিয়ে পথিক ,

বিনম্র বিভোল কায় ক্লান্ত অনিমিখ- 

অলংকৃত করে এক দিনার আঁচলে ,    

নিলয় নিকেতে এলো স্নেহ ছায়াচলে ।

বেড়ে ওঠা প্রবাহটা ছিলো না মসৃণ,

ছিলো ধূমসিত ছায়া, ছান্দসবিহীন।

পাষন্ড পাপাত্মা পাপী হায়নারা মিলে,

উদীচী উদয় সাথী দগ্ধ তিলে তিলে।

কষ্টের অবহে ঘিরে যাতনার ঘায় ,

শহীদের আহ্কামে অনন্ত নিদ্রায়।

কি ছিলো বিচ্যুতি তার সততা বপনে?

সে তো ছিলো অনির্বেয় স্বাপ্নিক স্বপনে।

অসংখ্য যাতনা ঘায় নির্লিপ্ত ফাহাদ ,

অন্তিম নিঃশ্বাসে ছিলো আল্লাহু আহাদ।

 

সাফাই

হামিদা আক্তার শিল্পী

 

এক বিস্মৃতি স্বরলিপি,আমি এক ক্লান্ত পথিক।

শ্রাবণের খন্ড খন্ড মেঘকে জোড়াতালি দিচ্ছি।

দাঁত বের করে হাসছে পরগাছা।

শান্তি সে তো আগামীর আশাবাদী।

লোক দেখানোর জন্য নিরন্ন মানুষের পক্ষে দাঁড়াই।

তাদের প্রতিষ্ঠার কথা এলেই বলা হয় 

যথেষ্ট ডিনামাইট ও স্যাটেলাইট বোমা মজুদ আছে।

খাদ্যের কী আর দরকার?

আমরা তো মানবতাবাদী!

পরস্পরকে ভালবাসবো বলে সব সিমান্তে কাঁটাতারের বেড়া।

নারী শিশুদের কান্নার জল দিয়ে কি খাট্টা রেধে খাবে।

সকল বাঁধন ছিঁড়ে আমি সনদ হাতে উদ্বাস্তু।

রক্তপিপাসু সব বিশ্ব  রাষ্ট্র সংস্থাগুলো এক  অলৌকিক কীট।

 

সামান্য কিছুক্ষণ কাঁদবে!

 

স্বজনের বৃত্ত ছেড়ে এক দিন অজানার পথে।

অনাহারী বাসনে সামান্য অন্ন তুলে দিয়ে ই ফ্ল্যাশ লাইট 

জলে উঠে  ভার্চুয়াল সভ্যতার।

সাফাই গাইতে হাড়মাংস অঙ্গার হাতে নিয়ে

 মানবতাবাদীরা সোস্যাল মিডিয়াতে।

 

মা বড় রত্নাকর

মোহাম্মদ ইসমাইল

 

বাড়ি হতে ফেরার পথে আমার আজ বলা হয়নি-‘মা’ আমি আসি’

কেননা, নিয়তির সব বন্ধন ছেদি’-

আজ যে আমার ‘মা’ হয়ে গেনু গৃহ পরবাসী !

তবুও অভ্যাসগতভাবে প্রতিদিন মায়ের প্রতি ছিলো আমার কতনা ত্বরা’

কোন সন্ধিক্ষণে তা আজ হুট করে ভুলি বল, সে’ বাড়ি ফেরা?

তবু সহ্য করিয়া সব কিছু মানিয়ে লইতে হইল ;

সেই মায়েরই সমস্ত অর্ন্তদৃষ্টি অগোচরে-

আদর সোহাগ ভরা বাসনে যেভাবে ‘মা’ মানুষকে ‘মানুষ’

হইতে শিখাইল মোরে;

মা  বড়ো রতœাকর বাঁচিবার কালে যারে যায় না ধরা

‘মা’ হারালে মায়েদের অবিস্মরণে যেন শুধুই শূন্যতা অনুভবে 

কাঁদে শুধু এই জীবন আর মনুষ্যত্বের ধারা ! 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ