ঢাকা, মঙ্গলবার 3 December 2019, ১৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৫ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

এবার এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞায় শহিদ-আরাফাত

স্পোর্টস রিপোর্টার : এবার শাস্তির মুখোমুখি মোহাম্মদ শহীদ ও আরাফাত সানি। জাতীয় ক্রিকেট লিগের ম্যাচ চলাকালীন মাঠে হাতাহাতির ঘটনায় জড়িয়ে এক বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা পেলেন পেসার মোহাম্মদ শহিদ ও ব্যাটসম্যান আরাফাত সানি জুনিয়র। এই এক বছর তারা ক্রিকেট খেলতে পারবেন কিন্তু থাকবেন কড়া নজরদারিতে। স্থগিত নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন মাঠে ও মাঠের বাইরে একই ঘটনার পুনারাবৃত্তি ঘটালে অবিলম্বে তাদের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা হবে। জাতীয় ক্রিকেট লিগে সতীর্থ ক্রিকেটার আরাফাত সানি জুনিয়রকে মারধরের ঘটনায় নিষিদ্ধ হন পেসার শাহাদাত হোসেন। সতীর্থকে মারায় ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হন তিনি। সেই ঘটনায় ইন্ধন ছিল মোহাম্মদ শহীদেরও। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট ক্রিকেটার আরাফাত সানিকেও দোষী পাওয়া গেছে। একই ঘটনায় নিজেদের ভূমিকার জন্য ১ বছরের স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে মোহাম্মদ শহীদ ও আরাফাত সানি জুনিয়রকে। শাহাদাত খেলতে না পারলেও বাকি দুইজনের খেলা চালিয়ে যেতে অসুবিধা নেই। তবে আগামী ১ বছরের মধ্যে ফের কোনো ধরনের বিতর্কিত কমকা-ে লিপ্ত হলে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। আগামী দিনগুলোতে মাঠের পাশাপাশি মাঠের বাইরেও তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করবে বিসিবি। মোহাম্মদ শহীদ ও আরাফাত সানি জুনিয়রের শাস্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টুর্নামেন্টের টেকনিক্যাল কমিটির প্রধান মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। তনি বলেন, ‘মাঠে তাদের এমন আচরণের কারণে স্থগিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এখন থেকেই তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করা হবে। সামনে কোনো ধরনের বিতর্কিত কিছু পেলে সঙ্গে সঙ্গে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। আশা করি তারা নিজেদের শুধরে নিতে পারবে।’ গত ১৭ নবেম্বর খুলনায় জাতীয় লিগের ম্যাচে কথা কাটাকাটির জের ধরে অফ স্পিনিং অলরাউন্ডার সানিকে মাঠে চড়-থাপ্পর মারেন শাহাদাত। আচরণবিধির ৪ ধারা ভঙ্গ করার দায়ে ম্যাচ রেফারি শেষ দুই দিনের জন্য বহিষ্কার করেন এই পেসারকে। পরে টেকনিক্যাল কমিটি ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে শাহাদাতকে। ম্যাচ রেফারি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর জানা যায়, ঘটনার সূত্রপাত হয় শহীদের হাত ধরেই। আরাফাত সানি জুনিয়র বেঁচে যেতেন। কিন্তু শুনানিতে ডাকার পর তারও দোষ ধরা পড়ে টেকনিক্যাল কমিটির কাছে। সবমিলিয়ে তাই বাকি দুজনও শাস্তির মুখে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ