ঢাকা, বুধবার 4 December 2019, ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ৬ রবিউস সানি ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের আশ্বাস আদায়ে অনশনে দিল্লী মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন

৩ ডিসেম্বর, ইন্টারনেট : গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে রাজধানীর যন্তর মন্তরের সামনে তিনি অনশনে বসলেন। স্বাতী জানিয়েছেন, ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ডের আশ্বাস না মেলা পর্যন্ত, তিনি অনশন চালিয়ে যাবেন। এদিন ট্যুইট করে দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন জানান, কেন্দ্রীয় সরকার যদি আশ্বাস দেয়, ছ’মাসের মধ্যে ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে, তবেই তিনি উঠবেন। তেলেঙ্গানার তরুণী পশু চিকিৎসকের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় দেশজোড়া উত্তেজনার মধ্যেই গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে অনশন শুরু করেন দিল্লির মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল। ট্যুইট করে দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন জানান, কেন্দ্রীয় সরকার যদি আশ্বাস দেয়, ছ’মাসের মধ্যে ধর্ষকদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে, তবেই তিনি উঠবেন।

গত বুধবার, ২৭ নভেম্বর রাতে পশু চিকিৎসক ওই তরুণীকে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারা হয়। তাঁর স্কুটির চাকা পাংচার করে দিয়েছিল অভিযুক্তরা। তার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁকে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারে তারা। পরদিন সকালে কালভার্টের নীচ থেকে আধপোড়া দেহ উদ্ধার হয়। গ্রেফতার করা হয় এক ট্রাকচালক-সহ ৪ জনকে। ধরা পড়ার পরে অভিযুক্তরা স্বীকার করে, তরুণী যাতে চিৎকার না-করতে পারেন, সে জন্য তাঁর গলায় জোর করে মদ ঢেলে দিয়েছিল। এমনকী তরুণীকে পোড়াতেও তাঁর স্কুটির পেট্রোল ঢালা হয়েছিল। যদিও, ময়নাতদন্ত রিপোর্টে তরুণী চিকিৎসকের পেটে অ্যালকোহল পাওয়া যায়নি।

নিহত তরুণীর পরিবার এই ঘটনায় পুলিশকেই কাঠগড়ায় তুলেছে। অভিযোগ, বুধবার রাতে মেয়ে না-ফেরায়, থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু, পুলিশ রিপোর্ট নিতে অযথা দেরি করে। নানাভাবে হেনস্থা করা হয়। এ-ও বলা হয়, দেখুন, মেয়ে কার সঙ্গে পালিয়েছে। ফলে, পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতেই অনেকটা সময় নষ্ট হয়ে যায়। শেষমেশ যখন তদন্ত শুরু হয়, তখন অনেকটা দেরি হয়ে গেছে। যদিও পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, তারা অভিযোগ পাওয়ামাত্র তৎপর হয়ে তল্লাশি শুরু করে। দু’দিনের মধ্যেই গ্রেফতার করে ফেলে চার অভিযুক্তকেই।

হায়দ্রাবাদের এই ঘটনার প্রতিবাদে গত শনিবার অনু দুবে নামে এক তরুণী একাই সংসদ ভবনের বাইরে বিক্ষোভে বসেছিলেন। তাঁর হাতের প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘ভারতে আমি নিজেকে নিরাপদ ভাবতে পারছি না কেন?’ পুলিশ তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যায়। সেই ঘটনা নিয়েও সরব হন স্বাতী মালিওয়াল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ