ঢাকা, মঙ্গলবার 28 January 2020, ১৪ মাঘ ১৪২৬, ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

হৃৎদপিণ্ড বন্ধ হওয়ার ৬ ঘণ্টা পর বেঁচে উঠলেন এক নারী

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: ছয় ঘণ্টা ধরে হৃৎদযন্ত্রের স্পন্দন বন্ধ ছিল এমন এক নারীকে আবার বাঁচিয়ে তোলা সম্ভব হয়েছে যাকে ডাক্তাররা খুবই বিরল এবং বিস্ময়কর এক ঘটনা বলে বর্ণনা করেছেন।

অড্রে স্কুম্যান নামের এই নারী থাকেন স্পেনের বার্সেলোনায়। তিনি স্পেনের পাইরেনিস পার্বত্য এলাকায় তার স্বামীর সঙ্গে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। সেখানে তারা তুষার ঝড়ের কবলে পড়েন। এরপর তিনি মারাত্মক হাইপোথারমিয়ায় আক্রান্ত হন। তার হাঁটতে-চলতে অসুবিধা হচ্ছিল। তিনি অচেতন হয়ে পড়ে যান। তার হৃদযন্ত্র একদম বন্ধ হয়ে যায়। কোনো হৃৎস্পন্দনই পাওয়া যাচ্ছিল না। স্বামী রোহানের ধারণা ছিল তার স্ত্রী মারা গেছেন।

ইমার্জেন্সি সার্ভিসের জন্য যখন তারা অপেক্ষা করছেন, তখন তিনি স্ত্রীর পালস পাচ্ছিলেন না। তার স্ত্রী শ্বাস নিচ্ছেন বলেও মনে হচ্ছিল না। হৃদযন্ত্র বন্ধ ছিল। দুই ঘণ্টা পর যখন উদ্ধারকর্মীরা এসে পৌঁছালেন স্কুম্যানের শরীরের তাপমাত্রা তখন নেমে গেছে ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। উদ্ধার কর্মীরা তাকে বার্সেলোনার এক হাসপাতালে নিয়ে যান। তিনি যে বেঁচে আছেন, তার কোনো লক্ষণই পাচ্ছিলেন না তারা।

হাসপাতালের চিকিৎসক এডুয়ার্ড আরগুডো বলেছেন, পাহাড়ের যে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার কারণে অড্রে স্কুম্যান অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন সেটাই হয়তো আবার তার জীবন বাঁচিয়ে দিয়েছে। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, হাসপাতালে আনার পর তাকে দেখে মনে হচ্ছিল তিনি মারা গেছেন।

তবে তিনি যেহেতু হাইপোথার্মিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন, আমাদের মনে হচ্ছিল অড্রের বেঁচে ওঠার একটা সম্ভাবনা আছে। আরগুডো বলেন, অড্রে স্কুম্যান যখন অচেতন হয়ে পড়েছিলেন তখন হাইপোথার্মিয়াই তার শরীর এবং মস্তিষ্ককে রক্ষা করেছিল। যদিও এই হাইপোথার্মিয়া তাকে প্রায় মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিল। সূত্র: বিবিসি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ