সোমবার ২৫ অক্টোবর ২০১০
Online Edition

ধর্মনিরপেক্ষতার নামে জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে

স্টাফ রিপোর্টার : জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত আমীর মকবুল আহমদ বলেছেন, সরকার শিক্ষানীতি করার জন্য দলীয় লোকদের দিয়েই কমিটি করে দিয়েছিল। কমিটি কর্তৃক প্রণীত খসড়া নীতি প্রকাশ হওয়ার পর হাজার হাজার সংশোধনী প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে জমা হয়। কিন্তু তার কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে, তা জাতিকে না জানিয়েই বাস্তবায়ন শুরু করে দেয় মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, ধর্মনিরপেক্ষতার নামে জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষানীতির নামে ধর্মহীন শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন জনগণ মেনে নিবে না। তিনি আরো বলেন, আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে কথা বললেই তাকে রাজাকার, আল বদর, স্বাধীনতা বিরোধী বলা হয়। এখন নতুন শ্লোগান বের করা হয়েছে যুদ্ধাপরাধী। এতো বছর পর এখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা বলা হচ্ছে। আমরা যখন এক সাথে আন্দোলন করেছি, তখন কী এই গন্ধ ছিল না? গন্ধ তো যতো দিন যাবে, তত কমার কথা, বাড়ারতো কথা নয়। তিনি আরো বলেন, তারা এখন বিচারের জন্য জনমত গঠন করতে চায়। কোন বিচার কী জনমতের মাধ্যমে হয়? বিচারতো হবে সাক্ষী প্রমাণের ভিত্তিতে, আইনের মাধ্যমে। গতকাল রোববার বিকেলে মগবাজারস্থ আলফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে আধুনিক শিক্ষানীতির নামে ধর্মহীন শিক্ষাব্যবস্থা চালু এবং ধর্মনিরপেক্ষতার আড়ালে দেশকে ধর্মহীন রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র ও জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তির লক্ষ্যে শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত আমীর হামিদুর রহমান আযাদ এমপি'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম আজহারুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অধ্যাপক মুজিবুর রহমান। বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী সহকারী সেক্রেটারি মাওলানা আবদুল হালিম, আদর্শ শিক্ষক পরিষদের সভাপতি প্রফেসর ড. এম কোরবান আলী, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতির সেক্রেটারি প্রফেসর ড. একে এম আব্দুল্লাহ, অধ্যক্ষ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও তেজগাঁও কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর হারুন-অর-রশিদ পাঠান, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক পরিষদের সভাপতি অধ্যক্ষ মুসা খান, মাধ্যমিক শিক্ষক পরিষদ সভাপতি অধ্যক্ষ মঞ্জুরুল হক ও অধ্যক্ষ মোঃ শামসুদ্দীন প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও মহানগরীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি নূরুল ইসলাম বুলবুল। মকবুল আহমদ তার বক্তব্যে বলেন, সরকার শিক্ষানীতি করার জন্য কমিটি করে দিয়েছিল। দলীয় লোকদের দিয়েই এই কমিটি করা হয়। খসড়া নীতি প্রকাশ হওয়ার পর হাজার হাজার সংশোধনী প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে জমা হয়। কিন্তু তার কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে, তা জাতিকে না জানিয়েই বাস্তবায়ন শুরু করে দেয় মন্ত্রণালয়। তিনি বলেন, আমরা ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার কথা বলেছি। ইসলাম ধর্ম সবাই পড়বে তা নয়, যার যার ধর্ম শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। তিনি আরো বলেন, ৮ম শ্রেণীর পর যদি ধর্ম শিক্ষার সুযোগ পায়, তখন একজন মুসলমান কিভাবে নামাজের শিক্ষা পাবে? এ ধরনের খেলা বন্ধ করার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষানীতির নামে ধর্মহীন শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবায়ন জনগণ মেনে নিবে না। তিনি উল্লেখ করেন, ধর্মনিরপেক্ষতার নামে জাতিকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে। ভারপ্রাপ্ত আমীর বলেন, ইসলাম চর্চা করা হলেই সেখানে জঙ্গি আবিষ্কার করা হয়, ইসলামী বই পেলেই জিহাদী বই বলে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হয়। সবখানেই জঙ্গি আবিষ্কার করার চেষ্টা করা হয়। কুরআনেও তো জিহাদের কথা বলা হয়েছে, তাহলে কী কুরআনকেও জঙ্গি বই বলা হবে? এ ধরনের আত্মঘাতী কর্মকান্ড থেকে বিরত থাকার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহবান জানান। তিনি বলেন, '৭২ এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার জন্য তারা উঠেপড়ে লেগেছে। অবস্থাটা এমন হয়েছে যে, ৭২ এর সংবিধানে ফিরে গেলেই দেশের সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। ৩২ টাকার চাল ১০ টাকায় নেমে আসবে। এর মাধ্যমে আসলে জাতিকে ধোঁকা দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, ৫ম সংশোধনী বাতিল হলে যে সংবিধান থাকে তার মাধ্যমে তো বাকশালই ফিরে আসবে। আর বাকশাল ফিরে আসলে আওয়ামীলীগতো থাকবে না। মকবুল আহমদ বলেন, দেশের একজন সাবেক প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এখন বাজীকরদের খেলা চলছে। দলবাজী, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী সবত্রই চলছে। এ কথা বলার কারণে তার বিরুদ্ধেও লেখালেখি হচ্ছে। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের বিরুদ্ধে কথা বললেই তাকে রাজাকার, আল বদর, স্বাধীনতা বিরোধী বলা হয়। এখন নতুন শ্লোগান বের করা হয়েছে যুদ্ধাপরাধী। এতো বছর পর এখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কথা বলা হচ্ছে। আমরা যখন একসাথে আন্দোলন করেছি, তখন কী এই গন্ধ ছিল না? গন্ধতো যতো দিন যাবে, তত কমার কথা, বাড়ারতো কথা নয়? তিনি বলেন, মরহুম শেখ মুজিবুর রহমানের সময় তদন্ত করে ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তাদেরকে ত্রিপক্ষীয় চুক্তির মাধ্যমে ছেড়ে দেয়া হয়। এরপর দালাল আইনে বিচার হয়েছে। অনেককে ক্ষমা করা হয়েছে। এতোদিন পর একে আবার জীবিত করা হলো কেন? তিনি বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে যে ৩০ লাখ মানুষ মারা গেছে, তাদের তালিকা চাওয়া কী অন্যায়? জাতিতো সকলকে জানতে চায়। তিনি আরো বলেন, তারা এখন বিচারের জন্য জনমত গঠন করতে চায়। কোন বিচার কী জনমতের মাধ্যমে হয়? বিচারতো হবে সাক্ষী প্রমাণের ভিত্তিতে, আইনের মাধ্যমে। ভারপ্রাপ্ত আমীর বলেন, জামায়াতে ইসলামীর ২ জন মন্ত্রী সততা ও যোগ্যতার সাথে মন্ত্রণালয় চালিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দকে হয়রানি করার জন্য গ্রেফতার করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা ভারত বা আওয়ামীলীগের শত্রু নই। ভারতের অন্যায় আচরণের কথাই আমরা তুলে ধরছি। আর নির্বাচনের আগে দেয়া আওয়ামীলীগের ওয়াদার কথাও স্মরণ করিয়ে দেই। জাতিকে ধ্বংসের দিকে না নিয়ে তিনি জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের মুক্তি দেয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহবান জানান। এটিএম আজহারুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকারের ২২ মাসে শিক্ষাঙ্গন ও শিক্ষাক্ষেত্রে চরম অরাজকতা বিরাজ করছে। জাতির ঘাড়ে ধর্মনিরপেক্ষতা চাপিয়ে দেয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। এ কারণেই সংসদে উপস্থাপনের পরও তা অনুমোদন দেয়া হয়নি, ধর্মনিরপেক্ষতার আলোকে সাজানোর জন্য। দলীয় বিবেচনা নয়, দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের বিশ্বাসের ভিত্তিতে শিক্ষানীতি করার জন্য তিনি সরকারের প্রতি আহবান জানান। ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মুক্তি দাবী করে বলেন, যাদের অন্যায়ভাবে আটকের রাখা হয়েছে, তারা রাজনৈতিক ময়দানে সৎ ও ভালো মানুষ হিসেবেই পরিচিত। তাদের বেআইনিভাবে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। তিনি অবিলম্বে তাদের নি:শর্ত মুক্তি দাবী করেন। তিনি বলেন, এখন সীমান্ত অরক্ষিত। অবাধে মাদকদ্রব্য প্রবেশ করছে। যুব সমাজকে ধ্বংস করার জন্য পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে এ দেশে পাঠানো হচ্ছে। যারা সীমান্ত পাহারা দিবে, সেই বিডিআরকেই ধ্বংস করা হয়েছে। সেনাবাহিনীকেও ধ্বংস করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এভাবে স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরীদের ধ্বংস করে দেশকে তাঁবেদার রাজ্যে পরিণত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটিএম আজহার বলেন, সম্প্রতি আইনমন্ত্রী বলেছেন, অপরাধীদের ক্ষমা করার সংস্কৃতি থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। তার কিছু দিন আগে নিম্ন আদালত কর্তৃক ফাঁসির আদেশ দেয়া ২২ আসামীকে রাষ্ট্রপতি যে ক্ষমা করেছিলেন, তা হয়তো তখন মন্ত্রীর মনে ছিল না। তিনি বলেন, মরহুম শেখ মুজিবুর রহমান তদন্ত করে ১৯৫ জন যুদ্ধাপরাধীকে চিহ্নিত করে তিনিই ক্ষমা করে দিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে অপরাধীদের ক্ষমা করার সংস্কৃতি দেশে আওয়ামীলীগই প্রথম শুরু করেছিল। তিনি আরো বলেন, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টনে প্রকাশ্য দিবালোকে লগি বৈঠা দিয়ে যেভাবে মানুষ হত্যা করা হয়েছিল, তার বিচার হলে নাটোরের বড়াইগ্রামের ঘটনা ঘটতো না। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ও অপরাধীদের ক্ষমা করার সংস্কৃতি চালু আছে বলেই দেশে অপরাধ কমছে না। এখন এর দায় অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে পার পাওয়া যাবে না। অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, আল্লাহ রাসূল (সাঃ) কে শিক্ষক হিসেবে দুনিয়াতে প্রেরণ করেছেন। তাই জাতিকে ভাল করতে হলে ভাল শিক্ষক দরকার। শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড আর শিক্ষার মেরুদন্ড হচ্ছে শিক্ষক সমাজ। বর্তমান সরকার দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধ্বংসের অপতৎপরতায় লিপ্ত। তাই দেশ ও শিক্ষাব্যবস্থাকে ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা করতে সরকারের বিরুদ্ধে দুর্বার গণ আন্দোলনের কোন বিকল্প নেই। মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, সরকার জনগণের মতামতকে উপেক্ষা করে ধর্মহীন শিক্ষানীতি জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে চায়। এর মাধ্যমে সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে নৈরাজ্য ও দলীয়করণ করতে চায়। কিন্তু জনগণ তা হতে দেবে না। প্রফেসর ড. এম কোরবান আলী বলেন, দেশে শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ নেই। শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য চলছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরাও দুঃখজনকভাবে প্রহৃত হচ্ছেন। এ অবস্থায় কোন দেশ চলতে পারে না। প্রফেসর একেএম আবদুল্লাহ বলেন, জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে চাপিয়ে দেয়া শিক্ষানীতি মেনে নেয়া হবে না। ধর্মীয় মূল্যবোধের ভিত্তিতেই শিক্ষানীতি প্রণীত হতে হবে। প্রফেসর হারুনুর রশিদ পাঠান বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধেই শিক্ষানীতি প্রণীত হয়েছে। জনগণের মতামতের প্রতিফলন এই শিক্ষানীতিতে হয়নি। সভাপতির বক্তব্যে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সকল দেশেরই সংবিধান প্রণীত হয় দেশের সংখ্যা গরিষ্ঠ মানুষের ধর্ম, বোধ বিশ্বাস ও সাংস্কৃতিক চেতনা অনুযায়ী আর সে লক্ষ্যেই ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কুরআন-সুন্নাহ বিরোধী কোন আইন করা হবে না বলে জনগণের কাছে অঙ্গীকার করেছিল। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তীতে সময়ে তারা কুদরতে খুদা ও শামছুল হক শিক্ষা কমিশনের প্রস্তাব অনুযায়ী ধর্মহীন শিক্ষানীতি বাস্তবায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে তারা কবির চৌধুরীর মত আত্মস্বীকৃত নাস্তিক দিয়ে শিক্ষা কমিশন গঠন করে বাস্তবায়নের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু জনগণ তা মেনে নেবে না। ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করবে। পল্লবী থানাঃ জামায়াতে ইসলামী পল্লবী থানার উদ্যোগে শিক্ষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর মোঃ আবদুস সালামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন থানা সেক্রেটারী মোঃ আশরাফুল আলম, থানা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা মোঃ রাকিবুল হাসান, আব্দুল গফুর, মোঃ নাসির উদ্দিন, অধ্যাপক হাবিবুর রহমান ও অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ। কাফরুল থানাঃ জামায়াতে ইসলামী কাফরুল থানার উদ্যোগে শ্রমজীবীদের নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। থানা কর্মপরিষদ সদস্য আঃ মতিন খানের সভাপতিত্বে ও থানা প্রচার সম্পাদক আলাউদ্দিন মোল্লার পরিচালনায় সভায় আরো বক্তব্য রাখেন আব্দুল আহাদ জেহাদী, শামসুর রহমান খান, আঃ হালিম ভূইয়া ও সেলিম খলিফা। ক্যান্টনমেন্ট থানাঃ জামায়াতে ইসলামী ক্যান্টনমেন্ট থানার উদ্যোগে আলেমদের নিয়ে মত বিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়। থানা আমীর মোঃ নাজিম উদ্দিন মোল্লার সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন থানা সেক্রেটারী শাহ আলম, ওমর ফারুক, মাওলানা এ ইসলাম, মাওলানা রহমান, ডাঃ ইব্রাহীম ও জামাল উদ্দিন প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ