সোমবার ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
Online Edition

ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতন নির্মূলে যা করণীয়

হামিদ উল্লাহ : ‘সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই’। মধ্যযুগের কবি চ-ীদাশ তার বিখ্যাত সংকলন ‘ভক্তিতে মানুষের মর্যাদার এক সর্বাঙ্গীন ও শাশ্বত রূপ ঘোষণা করেছিলেন একটি মাত্র বাক্যে। চোখ বুজে একটু ধ্যান করলে অনুভব করা যায়, উপলব্ধিতে আসে নির্যাতিত, নিপীড়িত মানুষের আকাশ-বাতাস ভারী করা আহাজারী আর ক্রন্দনধ্বনি। ধর্মীয় সংখ্যালঘু হত্তয়ার অপরাধে রাতের আঁধারে ঘুমিয়ে পড়া শিশুটি চিৎকার চেঁচামেচির মধ্যে জেগে ওঠে, দিশেহারা মা যখন হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে ওঠা শিশুটিকে কোলে করে ছুটতে থাকেন ঘর ছেড়ে, এই শীতের রাতে তারা নদীতে লাফিয়ে পড়ে ওই পারে যেতে চায় একটুখানি নিরাপত্তার জন্য। পেছনে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে তাদের ঘর-বাড়ি, আগুন জ্বলছে, চারদিকে আর্তনাদ, শোরগোল তখন কেমন লাগে! ওই নদী থেকে ভেজা শরীরে উঠে ওপারের গাছতলায় সারা রাত কাটানোর দৈহিক কষ্টটুকু হয়তো খানিকটা অনুভব করা যাবে কিন্তু তাদের মনে যে গভীর অনিশ্চয়তা, নিরাপত্তাহীনতা, শিকড়হীনতা, ছায়াহীনতা, অবলম্বনহীনতার বোধ সৃষ্টি হয়েছে এর থেকে কি তাদের পরিত্রাণ নেই?

প্রিয় পাঠক, উপরে বর্ণিত ঘটনাটি হলো বাংলাদেশের। বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর চালিত বর্বরতার দৃশ্যগুলো যখন লিখতে বসেছি তখন আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘু মুসলিম নিধনের করুণ চিত্র চোখের সামনে এসে দাঁড়ায়। কী বীভৎস সে দৃশ্য! ভারত সরকারের হিসাবমতে, গুজরাটে পরিচালিত গণহত্যায় ৮০০ মুসলিম প্রাণ হারান। প্রকৃতপক্ষে ওই সময়ে দুই হাজার মুসলিমকে হত্যা করা হয় ধর্মনিরপেক্ষতার আলখেল্লাধারী দেশটিতে। যদিও তারা এটিকে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হিসেবে শনাক্ত করেছে। নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকদের মতে, এটি ছিল একটি জাতিগত নিধন অভিযান। খুন-ধর্ষণ ও লুটপাটের এ উৎসবকে সাম্প্রদায়িক হিসেবে খাটো করায় ভারত সরকারের নীতির পক্ষ্যে নন তারা। নারোদা, পটিয়া, গুলবাগ সোসাইটিসহ মুসলিম পাড়াগুলো যেভাবে তছনছ করা হয়েছিল, তাতে জাতিগত নিধন ষড়যন্ত্র স্পষ্ট। জঙ্গিবাদী হিন্দু সংগঠনগুলো অভিযানের সময় কোনো বাধার মুখে পড়েনি। খুনিদের পরনে ছিল খাকি পোশাক। তারা এসেছে ট্রাকে চড়ে দলে দলে ভাগ হয়ে। ধারালো তরবারি, বিস্ফোরক ও গ্যাস সিলিন্ডার ছিল তাদের সাথে।

পুলিশ স্টেশন ও পুলিশ প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পাশে পুলিশ কর্মকর্তাদের চোখের সামনে নিধনযজ্ঞ চলে। পুলিশ প্রশাসন নীরব থেকে নিধনে এক ধরনের অংশগ্রহণই করেছে ওই ঘটনায়। অতএব সার্বিক প্রস্তুতি প্রমাণ করে সেটা ছিল একটি পরিকল্পিত নিধন অভিযান। যে অভিযান থেকে রেহাই পাননি ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সংসদ সদস্য পর্যন্ত। সংসদ সদস্য এহসান জাফরিকে ইতিহাসের নিকৃষ্ট পন্থায় হত্যা করা হয়। জাফরি জঙ্গিদের কাছে আকুতি জানাচ্ছিলেন পরিবারের নারী সদস্যদের গায়ে হাত না দিতে। জঙ্গিরা প্রথমে তাকে টেনে-হিঁচড়ে রাস্তায় নামিয়ে এনে উলঙ্গ করে ফেলে। তাকে বাধ্য করা হয় ‘জয় শ্রী রাম’ বলতে। স্বীকৃতি আদায়ের পর জবাই করে মাথা আলাদা করে আগুনে নিক্ষেপ করে তারা। ফিরে এসে জঙ্গিরা পরিবারের বাকি সদস্যদেরকেও আগুনের কু-লিতে নিক্ষেপ করে। এর মধ্যে দু’টি শিশু ছিল। শুধু ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে তাদেরকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করা হলো! ধর্মীয় সংখ্যালঘু হয়ে জন্ম নেয়াই বুঝি তাদের পাপ।

 বীভৎস বর্ণনা এখানেই শেষ নয়। যুবতী, কিশোরী ও শিশুদের গণধর্ষণের পর আগুনে নিক্ষেপ করা করা হয়। শিশুদের পেট্রোল পানে বাধ্য করা হয়। তারপর ধরিয়ে দেয়া হয় শরীরে আগুন। পেটের ভেতর থেকে জ্বলে ওঠা আগুনে কিভাবে জীবন্ত মানুষ দগ্ধ করে তা দেখে জঙ্গিরা উল্লাস প্রকাশ করে। বসতবাড়িতে চারদিক থেকে বিদ্যুতায়িত করা ঘরের মধ্যে অবরুদ্ধ মানুষ। বৈদ্যুতিক শকে প্রাণ হারানোর বীভৎস দৃশ্য দেখছে কাছে দাঁড়িয়ে জঙ্গিরা। শিশুদের পিতা-মাতার সামনে নারকীয় কায়দায় হত্যার সে দৃশ্য দেখে মজা করছে জঙ্গিরা। গর্ভের শিশুকে মায়ের পেটে ছুরি চালিয়ে হত্যা করা হয়। নারীদের শরীরে হিন্দু ধর্মের প্রতীক আঁকা হয় চামড়া ও গোশত কেটে। জীবন্ত মানুষের ওপর ধারালো ছুরি দিয়ে চালানো এ হত্যাযজ্ঞ ইতিহাসের নিকৃষ্ট বর্বরতাগুলোর অন্যতম। সেদিন ২৩০টির মতো মসজিদ, দরগাহ গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লুট করে দেড়লাখ মুসলমানকে বা¯ু‘ভিটা ছাড়া করা হয়।

এবার বাংলাদেশ প্রসঙ্গে আসা যাক। রাজনীতি পর্যবেক্ষক মহলের মতে, বাংলাদেশ বর্তমানে ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। গেল মাসে মহাজোট সরকার উদ্ভাবিত নির্বাচন পদ্ধতির অধীনে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড় নানা প্রশ্নের জন্ম দেয়। বলা হচ্ছে নির্বাচনী যুদ্ধে সংখ্যালঘুরা অংশগ্রহণ না করায় তাদের ওপর হামলা, নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। এ সর্ম্পকে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, একতরফা কলল্কিত নির্বাচন থেকে বিদেশীদের দৃষ্টি অন্যদিকে নিতে আওয়ামী লীগের লোকেরা পরিকল্পিতভাবে সংখ্যালঘু নির্যাতন করছে। সংখ্যালঘুদের ওপর যে হামলা হচ্ছে তার কারণ তারা ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে ভোট দেননি। বাংলাদেশে ১৩ শতাংশ ভোট সংখ্যালঘুদের। তারা যদি ভোট কেন্দ্রে যেত তবে সরকারের কিছুটা লজ্জা নিবারণ হতো। চারদিকে যখন সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী তখন গণভবনে পৌষের পিঠা পার্বণ করছেন।’

নির্বাচন এলে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা পড়েন বিপাকে। তারা কোন দলকে ভোট দেবেন না দেবেন এ নিয়ে দোটানায় পড়েন তারা। যদিও তাদেরকে আ’লীগের ভোট ব্যাংক বলা হয়। তবে কথাটা পুরোপুরি সত্য নয়। কথাটা যদি সত্য হতো তাহলে পিরোজপুরে আ’লীগ নেতা প্রয়াত সুধাংশু শেখর হালদার জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর কাছে কিভাবে হারেন? জনশ্রুতি আছে পিরোজপুরের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ভোটাররাও নাকি সাঈদীকে ভোট দিয়েছিলেন। তার নির্বাচনী মিছিলে হিন্দুরাও নাকি শরিক হতেন। এখন প্রশ্ন উঠেছে, নির্বাচনের সময় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারীর মধ্যে কিভাবে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা নির্যাতিত হন? অভিযোগ রয়েছে অনেক ক্ষেত্রে আগেভাগে জানিয়ে আক্রান্ত লোকজন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহযোগিতা পান না। এ সম্পর্কে ২ জানুয়ারি দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় ‘সংখ্যালঘুরা কাকে ভোট দেবেন? শীর্ষক এক নিবন্ধে এডভোকেট পলাশ কুমার রায় লেখেন, সংখ্যালঘুদের নির্যাতন-নিপীড়নের পরও অপরাধীদের দ-িত হতে হয় না বলে নিপীড়করা এ ধরনের কর্মকা- চালিয়ে যেতে উৎসাহ বোধ করে।

সংখ্যালঘু-বান্ধব সরকার ক্ষমতায় থাকার পরও দুষ্কৃতিকারীরা বিগত পাঁচ বছর সংখ্যালঘুদের ওপর স্টিম রোলার চালালেও সরকার তথা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের টিকিটি পর্যন্ত ছুঁতে পারেনি। ‘সংখ্যালঘু নির্যাতনে সরকারদলীয়দের সংশ্লিষ্টতা প্রসঙ্গে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সাবেক সচিব ধীরাজ কুমার নাথ ৭ জানুয়ারি যুগান্তর পত্রিকায় ‘উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার অবসান চাই’ শীর্ষক একটি কলামে লেখেন, ‘আরও একটি লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায় অনেক স্থানে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে অনীহা প্রকাশ করেছে। সম্প্রতি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার হিন্দু অধ্যুষিত ইউনিয়নের ফলদা গ্রামে মন্দির পোড়ানোর ঘটনায় প্রধান আসামী আ’লীগের শীর্ষ এক নেতাকে গ্রেফতার না করায় হিন্দু ভোটাররা নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকার লক্ষ্যে লিখিতভাবে টাঙ্গাইলের রিটার্নিং অফিসার এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন। এটিকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করলে ঠিক হবে না। এ সমস্যার অবশ্যই সমাধান করতে হবে’। অবশ্য মি. ধীরাজ বাবু শুধু টাঙ্গাইলের বর্ণনা দিয়েছেন। একই ধরনের চিত্র ভোলা জেলায়ও পরিলক্ষিত হয়। নির্বাচনের পূর্বে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ভোটদানে ভীতি ও শংকার খবর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

এ সম্পর্কে ১২ ডিসেম্বর দৈনিক যুগান্তরের খবরে বলা হয়, ‘পরিবেশ সৃষ্টি না হলে ভোটকেন্দ্রে যাবেন না ভোলার ৩ লাখ সংখ্যালঘু ভোটার। ওইসব সংখ্যালঘু ভোটার পরিবারের সদস্যরা চরম আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। নির্বাচনের আগে ঘরবাড়ি ছেড়ে নিরাপদ থাকার চিন্তা করছেন অনেকেই’। ধর্মীয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের প্রশ্ন, দেশের ঘোলাটে রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সংখ্যালঘুরা কেন পরিস্থিতির শিকার হবেন? পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে দেখা যায়, যশোরের আ’লীগ নেতা অধ্যক্ষ আবদুল ওহাব নির্বাচনের আগেই সংখ্যালঘুদের হুমকি দিয়েছেন এবং নির্বাচনের পর সেই হুমকি কার্যকর করার খবরও পত্রিকায় প্রকাশ হয়। তিনি আ’লীগ থেকে মনোনয়ন পাননি। সংখ্যালঘুরা তাকে ভোট দেননি। সংখ্যালঘু শব্দটি আমার কাছে নেতিবাচক মনে হয়। এই সংখ্যালঘু ইস্যু দিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অভিযোগ রয়েছে। দেশে সংগঠিত সকল অরাজকতা নৈরাজ্যের জন্য সরকার যখন বিরোধী দলকে দায়ী করছে, তখন  সরকার দলীয় সমর্থক হিসেবে পরিচিতি পাওয়া মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলছেন, জামায়াত-শিবির হামলা করেছে একথা সরকারি গল্প। পাবনার বনগ্রামে পরিদর্শনে গিয়ে পুলিশ অফিসারকে বলেন, মন্ত্রী হয়ে যদি সন্ত্রাসীদের পক্ষ নেয় তাহলে সেই মন্ত্রীকে আপনারা প্রশ্রয় দেন কেন? তিনি আরও বলেন, আপনারা মূল আসামীদের বাদ দিয়ে রেখেছেন। একটি জাতীয় পত্রিকা দেখিয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রীর পাশে সন্ত্রাসীরা ঘুরে বেড়ায়। সাবেক তথ্যমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বলেন, স্বারাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দিলে এবং সন্ত্রাসীরা তার সাথে ঘুরে বেড়ালে পুলিশ কি করবে? ১৩ জানুয়ারি হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্বাচন পরবর্তী জনগণের দৃষ্টি ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য হামলার অভিযোগ করেছেন।

বাংলাদেশে বিভিন্ন ধর্মের সহাবস্থান হাজার বছর ধরে। মসজিদ, গীর্জা, মন্দির, প্যাগোডার সহাবস্থান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সহনশীল ও পরধর্মে সহিষ্ণু জাতি হিসেবে বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী পরিচিত। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় মানুষের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, প্রেম-প্রীতি, সৌহার্দ্য ও সহানুভূতি প্রদর্শন করা উচিত। এ সম্পর্কে রাসূল (সাঃ) বলেন, (মুসলমান দেশে অথবা মুসলিম এলাকায় যদি অমুসলিম বা কোনো সম্প্রদায় থাকে) তোমরা যদি তাদের ক্ষতি করো অথবা তাদের উপর অতিরিক্ত কাজ দাও অথবা তাদের ন্যায্য পাওনা না দাও তাহলে কিয়ামতের দিন আমি তাদের পক্ষ হয়ে তোমাদের বিরুদ্ধে আল্লাহ্র দরবারে অভিযোগ দায়ের করবো।’ অন্য এক হাদিসে রাসূল (সাঃ) বলেন, যে মানুষের ওপর দয়া করে না আল্লাহ্ তাদের ওপর দয়া করেন না’।

যা এখন করণীয় তাহলো, ধর্মীয় সংখ্যালঘু নির্যাতন নির্মূলে পাঠ্যপুস্তকে নৈতিকথার বিষয় সংযোজন করতে হবে। আন্তঃধর্ম সংযোগ বাড়াতে হবে। মিডিয়ায় এ বিষয়ে ব্যাপক প্রচারণা চালাতে হবে। অপরাধী যে দলেরই হোক তাকে আইনের হাতে সোপর্দ করতে হবে। আসুন আল্লাহ্র বান্দা হিসেবে, সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব হিসেবে সকল মানুষকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসি। বিপদে-আপদে সহমর্মিতার হাত বাড়িয়ে দেই। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায়-হিন্দু না মুসলিম জিজ্ঞাসে কোনজন/ কা-ারী বল ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার। লেখক: কলামিস্ট

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ