শুক্রবার ০৫ জুন ২০২০
Online Edition

ডিমান্ড নোটের হাজার কোটি টাকা ফেরত অনিশ্চিত

স্টাফ রিপোর্টার : আবাসিক গ্যাসের সংযোগ পেতে সরকারি নিয়মে চাহিদাপত্র বা ডিমান্ড নোটের টাকা ব্যাংকে জমা দিয়েও নতুন সংযোগ পাচ্ছে না গ্রাহকরা। সরকারি ঘোষণা মোতাবেক আবাসিকের সংযোগ বন্ধ থাকায় তারা কোন সংযোগ পাচ্ছেন না। কিন্তু গ্যাসের সংযোগ পেতে নিয়ম অনুসারে ঠিকাদারের মাধ্যমে ব্যাংক টাকা জমা দিয়েও গ্রাহকরা এখন সেই টাকাও পেরত পাচ্ছেন না। ফলে গ্রাহক এবং ঠিকাদার উভয়েই এখন বিপাকে পড়েছেন। গতকাল মানববন্ধন করে বন্ধ সংযোগ চালুর দাবি জানিয়েছে পাইপ লাইন নির্মাণ ঠিকাদার মালিক সমিতি
বর্তমানে দুর্ভোগে থাকা হাজার হাজার গ্রাহকের কথা বিবেচনায় নিয়ে আবাসিক ভবনসহ বন্ধ থাকা সকল গ্যাস সংযোগ দ্রুত চালুর দাবি জানিয়েছে তিতাস গ্যাস পাইপ লাইন নির্মাণ ঠিকাদার মালিক সমিতি। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধনে সংগঠনটি এই দাবি জানায়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কোন প্রজ্ঞাপন জারি না করে আকস্মিকভাবে আবাসিক গ্যাস সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে গ্যাস সংযোগের জন্য ঠিকাদারদের মাধ্যমে কয়েক হাজার কোটি টাকা তিতাস গ্যাসের চাহিদাপত্র গ্রহণ করে ব্যাংকে জমা দেয়া গ্রাহকরা বিপাকে পড়েছে।
বক্তারা আরো বলেন, নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ করার পর, রান্নাঘর বর্ধিতকরণের কাজগুলি চালু থাকায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ অনেকাংশে সীমিত ছিলো। এ সময় ঠিকাদারি কাজ চালু থাকায় ঠিকাদাররা গ্রাহকের নিকট থেকে মজুরি গ্রহন করে কোনো রকমে জীবিকা নির্বাহ করছিল।
তারা বলেন, এ বছরের জুলাই মাসে রান্নাঘরের বর্ধিতকরণের কাজগুলো পেট্রোবাংলার নির্দেশে বন্ধ করে দেয়া হয়। এ অবস্থায় ঠিকাদারি কাজে নিয়োজিত হাজার হাজার পরিবার নিদারুণ কষ্টের মধ্যে দিনানিপাত করছে। পাশাপাশি অনেক গ্রাহক তাদের গ্যাস সংযোগের জন্য ব্যাংকে টাকা জমা দিয়েও গ্যাস সংযোগ পাচ্ছে না।
গতকালের মানববন্ধনে রান্নাঘর বর্ধিতকরণের কাজ চালু এবং গ্রাহকদের টাকা জমাকৃত আবেদনের বিপরীতে সংযোগগুলি দ্রুত চালু করে দিতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন বক্তারা। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি জাকির খানের সভাপতিত্বে এ মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন, সাধারন সম্পাদক কাজি ইব্রাহিম মাহামুদ, মো. আলী খোকন, সৈয়দ নুরুল ইসলাম প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ