বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ঝালকাঠিতে বৃষ্টির পরে শীত শিশুদের রোগব্যাধির প্রকোপ

ঝালকাঠি সংবাদদাতা : গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া টানা ৩ দিনের বৃষ্টির পরে রোববার সকাল থেকে বৃষ্টি কমেছে। কিন্তু রাতে প্রচণ্ড শীত পড়ায় ঠাণ্ডাজনিতসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছে সর্বস্তরের লোকজন। বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার জনসাধারণ আক্রান্ত হচ্ছে বেশি। এর মধ্যে বাড়তি ঝামেলা পর্যাপ্ত ঔষধ সরবরাহ না থাকা। ঝালকাঠি সদর উপজেলার কির্ত্তীপাশা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে এ চিত্র দেখা গেছে। মধ্য বয়সী গৃহবধূ মালতি জানান, কয়েকদিনের বৃষ্টি ও রাতে শীত পড়ায় জ্বর, সর্দি ও কাঁশি হয়েছে। এজন্য ডাক্তারের কাছে আসছি। রিনা বেগম জানান, ঠাণ্ডা লেগে হাঁচি ও মাথা ব্যথা হয়েছে। আলেয়া বেগম জানান, শীতে হাত-পা খিচুনি হয়ে ওঠে। ওজু করে নামাজ পড়তে কষ্ট হয়। বুকেও ব্যথা লাগে। আলোরানী আসেন তার ১ বছরের কন্যা শিশু পায়েলকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে। পায়েলের জ্বর ও সর্দি হয়েছে বলে আলোরানি জানান। সন্ধ্যারানী জানান, সর্দি ও গা (শরীর) ব্যাথা হয়েছে। সেই সাথে গ্যাসট্রিকের চাপও বেড়েছে। ডাক্তারের কাছে আসছি তাকে দেখিয়ে ঔষধ নেয়ার জন্য। কিন্তু এখানে পর্যাপ্ত ঐষধ না থাকায় আমাগো মতো গরীব মানের (মানুষের) ফার্মেসী থেকে ঔষধ কিনতে হচ্ছে। চিকিৎসাসেবায় দায়িত্বরত স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার পার্থ হাওলাদার জানান, কার্তিক মাসে চৈত্র মাসের মতোই গরম পড়েছে। এর মধ্যে হঠাৎ করে ৩ দিনের টানা বৃষ্টি। বৃষ্টির পরে এসেছে শীত। যার ফলে মানুষ রোগাক্রান্ত হচ্ছে। সাধ্যমত চিকিৎসা দিচ্ছি। রোগী ও রোগ মারত্মক হলে সদর হাসপাতালে যাবার পরামর্শ দিচ্ছি।
তবে পর্যাপ্ত ঔষধ সরবরাহ না থাকায় এখানে যা আছে তাই দিচ্ছি। বাকিটা বাহিরের ফার্মেসী থেকে রোগীদের কিনতে হচ্ছে। ঝালকাঠি সদর হাসপাতালেও একই অবস্থা। হঠাৎ শীত শুরু হওয়ায় ঠান্ডা জনিত রোগীর সংখ্যাই বেশি। সদর হাসপাতাল ঘুরে দেখা গেছে, সকাল সাড়ে ৮টা থেকেই রোগীরা আসতে শুরু করেছে। চিকিৎসা সেবা দিতে দায়িত্বরত চিকিৎসকরা হিমশিম খাচ্ছেন। এখানে নারী ও শিশু রোগীর সংখ্যা ছিলো পুরুষের চেয়ে অনেটাই বেশি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ