মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

ফুরিয়ে যাচ্ছে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় জেরুসালেমে দূতাবাস সরানো ঝুঁকিপূর্ণ 

১৯ জানয়ারি, রয়টার্স: যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস স্থানান্তর করে জেরুজালেমে নিয়ে যাওয়া ‘বিস্ফোরক’ ফল বয়ে আনতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের শেষ সংবাদ সম্মেলনে বুধবার এ কথা বলেছেন তিনি।

পাশাপাশি ইসরালি-ফিলিস্তিন সংঘাতের দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান ক্ষীণ হয়ে আসছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরালে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস তেল আবিব থেকে জেরুজালেমে নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এতে মধ্যপ্রাচ্যের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে যে নীতি মেনে এসেছে তা লঙ্ঘিত হবে।

ইসরালে ও ফিলিস্তিন, উভয়েই জেরুজালেমকে নিজেদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে। এই পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের তেল আবিবের দূতাবাস জেরুজালেমে স্থানান্তর বিশ্বব্যাপী নিন্দিত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ওবামা বলেন, “যার সঙ্গে মূল ইস্যুগুলো জড়িত এবং যা দুপক্ষের জন্যই স্পর্শকাতর, এমন বিষয়ে যখন হঠাৎ একতরফাভাবে কোনো পরিবর্তন করা হয়, তখন তা বিস্ফোরক হয়ে উঠতে পারে।”

বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের পরিণতি আছে, এ কথা দায়িত্বগ্রহণ করতে যাওয়া ট্রাম্প প্রশাসনকে তার প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানিয়ে সতর্ক করা হয়েছে বলে জানান তিনি। 

অধিকৃত পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমে ইসরালের বসতি স্থাপন তৎপরতা দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধানের পথে অন্তরায়, এটি বারবার বলে এসেছেন ওবামা।

দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান, গত কয়েক দশক ধরে চলা ফিলিস্তিনি-ইসরাল সংঘাতের সেরা সমাধান বলে বিশ্বাস করে যুক্তরাষ্ট্র। 

ওবামা জানান, ইসরালের বসতি স্থাপন তৎপরতা নিয়ে সম্প্রতি জাতিসংঘের একটি প্রস্তাবে তার প্রশাসন বাধা দেয়নি, কারণ দুই রাষ্ট্রভিত্তিক সমাধান শান্তির একমাত্র উপায় বলে অনুভব করেছেন তারা।

যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের সহযোগিতায় ফিলিস্তিনি ভূখ- দখল করে ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইহুদি রাষ্ট্র ইসরাইলের। আর বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা আশপাশের আরব দেশে শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নেয়।

বসতিস্থাপনের মাধ্যমে এখনো জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি অধ্যুষিত এলাকায় দখলদারিত্ব পোক্ত করে চলেছে দেশটি। এসব বসতিতে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা প্রায় ১০ লাখ ইহুদির বসবাস।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ