বুধবার ০৮ জুলাই ২০২০
Online Edition

পুলিশ হত্যা ও মানুষ পুড়িয়ে মারার সাথে জামায়াতে ইসলামীর কোন সম্পর্ক নেই -হামিদ আযাদ

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম জেলা কমিউনিটি পুলিশের মহাসমাবেশে পুলিশের আইজি একেএম শহিদুল হক “জামায়াত ইসলামের নামে প্রতারণা করছে, সন্ত্রাসবাদ চালাচ্ছে” মর্মে যে সব ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য দিয়েছেন তার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং সাবেক এমপি হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, আইজিপি প্রজাতন্ত্রের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা। তিনি যে ভাষায় জামায়াতে ইসলামীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন বক্তব্য দিয়েছেন তা জাতিকে হতাশ করেছে। আমি তার এ অসত্য বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। পুলিশ হত্যা ও মানুষ পুড়িয়ে মারার সাথে জামায়াতে ইসলামীর কোন সম্পর্ক নেই।
গতকাল শুক্রবার দেয়া বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সন্ত্রাস ও খুনের রাজনীতিতে বিশ্বাস করে না। জামায়াতে ইসলামী দেশকে ধ্বংসের পথে নয় বরং সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছে। সন্ত্রাস কারা করছে, কারা সন্ত্রাসীদের মদদ দিচ্ছে তা দেশবাসীর নিকট অত্যন্ত পরিষ্কার। জামায়াতকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে বর্তমান কর্তৃত্ববাদী সরকার জামায়াতকে নিশ্চিহ্ন করার পথ বেছে নিয়েছে। পুলিশ প্রধানের এ বক্তব্য সরকারের সন্ত্রাসী বাহিনীকে আরও উৎসাহিত করবে যা দেশের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে না।
তিনি বলেন, দেশবাসী পুলিশ প্রধানকে প্রজাতন্ত্রের কর্মকর্তা হিসেবে দেখতে চায়। কোন দলের নেতার ভূমিকায় নয়। পুলিশের উপস্থিতিতে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ প্রতিনিয়ত সন্ত্রাস চালাচ্ছে। আধিপত্য বিস্তারের জন্য নিজ দলের নেতা-কর্মীদেরকে হত্যা করছে। সরকার এদের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ না নিয়ে জামায়াতের নিরীহ নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে আটক করে রিমান্ডে নিয়ে অমানসিক নির্যাতন করছে এবং ক্রসফায়ার দিয়ে অনেক নেতা-কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। এ সব ব্যাপারে আইজিপির বক্তব্য কী তা দেশবাসী জানতে চায়? আইজিপির বক্তব্যে জনমনে এ সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে যে, সরকারি দলের সন্ত্রাসীদেরকে আড়াল করার জন্যই তিনি এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। দেশ ও জনগণের স্বার্থে এবং দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষ্যে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের জন্য তিনি আইজিপির প্রতি আহবান জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ