বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

কর্ণফুলী নদী ও বন্দর বাঁচানোর দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হন

চট্টগ্রাম অফিস: কর্ণফুলী নদীর তীর দখল করে অবৈধ ২ হাজার বসতবাড়ি ও স্থাপনা, হাইকোর্টের রায় ৯০ দিনেও কার্যকর না হওয়ায় চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের মানববন্ধনে বক্তারা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, গতবছর আগস্ট মাসে হাইকোর্ট কর্তৃক এ রায় ঘোষিত হলেও ৭ মাসে কার্যকর হয়নি। বক্তারা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, কর্ণফুলীর তীর ঘেঁষে প্রতিদিন ভূমিদস্যুরা বসতবাড়ি ও দোকানপাট নির্মাণ করে চলছে অথচ প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, এমনিতে কর্ণফুলী নদীতে ময়লা-আবর্জনা স্তূপ হয়ে নাব্যতা সৃষ্টিতে নগরীর বির্জা খাল, মহেশ খালসহ ছোট ছোট খালগুলো জোয়ারের পানি চলাচলে বিঘিœত করছে। বক্তারা বলেন, নাব্যতা সৃষ্টিতে যেভাবে কর্ণফুলী নদীতে চর জেগে উঠছে এতে নদীর প্রবাহ গতি যে কোনো সময় নদীর পরিবর্তে খেলার মাঠ সৃষ্টি হবে এবং দেখা যাবে চট্টগ্রাম বন্দর অন্য জেলায় চলে গেছে উল্লেখ করে বলেন, অবিলম্বে হাইকোর্টের রায় মোতাবেক অবৈধ বসতবাড়ি ও স্থাপনা উচ্ছেদ করে কর্ণফুলী নদী ও চট্টগ্রাম বন্দরকে বাঁচানোর জন্য সরকারের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
গতকাল বুধবার বিকেলে নগরীর চেরাগী পাহাড় চত্বরে চট্টগ্রাম নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি এ.কে. জাহেদ চৌধুরী, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক দিদার আশরাফী ও সহ-সভাপতি সাংবাদিক আলী আহমেদ শাহিনের যৌথ সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন নগর আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, চবি শিক্ষক জিনবোধি ভিক্ষু, চসিক কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব, চসিক সাবেক প্যানেল মেয়র রেখা আলম চৌধুরী, জাসদ নেতা ভানুরঞ্জন চক্রবর্তী, মঈনুল আলম খান, ন্যাপ নেতা মিঠুন দাশ গুপ্ত প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ