শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২০
Online Edition

বিএনপি কাউন্সিলর প্রার্থী নেতাকর্মীদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন ॥ গাড়ি ভাঙচুর গুলী

 

রেজাউল করিম রাসেল, কুমিল্লা : কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচনে বিএনপির নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন, পোস্টার, ব্যানার ও লিফলেট ছিড়া, এজেন্টদের পুলিশ দিয়ে হয়রানি ও নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে মিথ্যা মামলার গ্রেফতার এবং হুমকি ধমকি অব্যাহত রয়েছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি তথা ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। তিনি গতকাল মঙ্গলবার দুপরে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব অভিযোগ করেন। 

তিনি আরো বলেন, আমি চাই জনগণ যাতে সুন্দর এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট দিতে পারে। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট গ্রহণ হলে ইনশাআল্লাহ আমি বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করব। 

এদিকে কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন এর ২৫নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী কাউন্সিলর প্রার্থী (ঘুড়ি) প্রতিক জিল্লুর রহমান জিলানীকে আটক করেছে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ। 

মঙ্গলবার দুপুরে সদর দক্ষিণ উপজেলা গেট থেকে তাকে আটকের পর দুপুর সোয়া ২টার দিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়। 

সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সজল কুমার কানু আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সোমবার রাতে জিল্লুর রহমান তার সহযোগীদের নিয়ে একই ওয়ার্ডে বিএনপি সমর্থিত কাউন্সিলর প্রার্থী মো. খলিলুর রহমান মজুমদারের (লাঠিম) চৌরাস্তাসহ বাড়িতে গিয়ে তার ভাতিজা ইঞ্জিনিয়ার আবুল কালামের গাড়ি ভাঙচুর ও ফাঁকা গুলী চালায়। এ ঘটনায় আবুল কালাম বাদী হয়ে মঙ্গলবার থানায় মামলা দায়ের করার পর কাউন্সিলর প্রার্থী জিল্লুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। 

বিএনপি’র উপদেষ্টা মনিরুল হক চৌধুরীর সমর্থক বিএনপি নেতা কাউন্সিলর প্রার্থী খলিলুর রহমান মজুমদার জানান, হামলার সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। এ সময় হামলাকারীরা তাকে খোঁজ করেছে। হামলাকারীরা তার গাড়ী ভাংচুর করেছে এবং টায়ার কেটে দিয়েছে। সেই সঙ্গে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলীও করেছে। 

এদিকে, কুসিক নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ১০৩টি ভোট কেন্দ্রের সবগুলোকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। 

কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা : জানা গেছে, নির্বাচনকে ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নগরীর গুরুপ্তপূর্ণ স্থানে র‌্যাব-পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ভোটের দুইদিন আগে অর্থাৎ মঙ্গলবার থেকে বহিরাগতদের নির্বাচনী এলাকা ছাড়তে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আজ বুধবার মধ্যরাত থেকে নগরীতে ২৬ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করার সিদান্ত নেয়া হয়েছে। 

কুমিল্লা আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় ও রিটার্নিং অফিসার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ২৪ জন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য নিয়োজিত করা হচ্ছে। এছাড়াও স্ট্রাইকিং ও মোবাইল ফোর্স হিসেবে প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে মোট ২৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং সংরক্ষিত আসনে একজন করে ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তদারকি করবেন। কিন্তু আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসনের এতো সব আয়োজনের মাঝেও সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রাকশ করেছে ২০ দলীয় প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু। 

অপরদিকে, নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী আঞ্জুম সুলতানা সীমা। 

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১০৩টি ভোট কেন্দ্রের সবগুলোকেই ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এর মধ্যে কোতয়ালী মডেল থানা এলাকায় ৭২টি ভোট কেন্দ্র এবং সদর দক্ষিণ মডেল থানা এলাকায় ৩১টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রগুলোকে গুরুত্বপৃর্ণ চিহ্নিত করে প্রতিটি কেন্দ্রে ২৪ জন পুলিশ ও আনসার সদস্য এবং র‌্যাবের ৮ সদস্যের একটি দল দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়াও ঝুঁকিপূর্ণ দুইটি করে কেন্দ্রে র‌্যাব ও পুলিশের আলাদা আলাদা মোবাইল টিম নিয়োজিত থাকবে। 

ভোটকেন্দ্রে আসার পথে কোনো ভোটার যেন বাধাগ্রস্থ না হয় তার জন্য র‌্যাব ও পুলিশের মোবাইল টিম ওয়ার্ডগুলোতে টহলের ব্যবস্থা রাখা হবে। 

নির্বাচনী ২৭টি ওয়ার্ডে পুলিশের ২৪ ঘণ্টায় ২৭টি পেট্রল টিম ডিউটি করছে। একটি টিমে ৬ জন করে পুলিশ নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। 

কুমিল্লা র‌্যাব-১১ এর অধিনায়ক মেজর মোস্তফা কায়জার জানান, র‌্যাবের ৩৩৮ জন সদস্য এ নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করছে। ভোটের দুইদিন আগে থেকে এবং নির্বাচনের পরদিন পর্যন্ত টানা চারদিন ২৭টি ওয়ার্ডে ৮ জন করে ২১৬ জন সদস্য মোতায়েন থাকবে। অপর সদস্যরা সাদা পোশাকে নজরদারিসহ স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। 

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নিয়ে উৎকণ্ঠায় কাউন্সিলর প্রার্থী : আগামীকাল বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মোট ১০৩টি কেন্দ্রের সবগুলোকেই ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা করেছে আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করতে চায় না সংশিষ্টরা। 

এদিকে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নিয়ে নগরীর বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর প্রার্থী উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছেন। 

১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী কাজী গোলাম কিবরিয়া জানান, এবার নির্বাচনে কেন্দ্র দখলের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা পাঁয়তারা করছেন। তিনি ১নং ওয়ার্ডের নগর সাস্থ্যকেন্দ্র ভোট কেন্দ্রে শতভাগ ঝুঁকিপূর্ণ বলে দাবি করেন। 

এদিকে নগরীর ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী মো মোশারফ হোসেন জানান, আমার নির্বাচনী এলাকার হারুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আলিয়া মাদ্রাসা ভোট কেন্দ্র গুলী ঝুঁকিপূর্ণ বলে দাবি করেন। 

২০ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী সিদ্দিকুর রহমান সুরুজ জানান, সরকার দলীয় সমর্থকের হুমকি ধমকি দিচ্ছে যাতে কেন্দ্রে কাছে আমার নেতা কর্মীরা না যায়। 

তবে এ বিষয়ে আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মন্ডল জানান, কোনভাবে কোন প্রার্থী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারবে না। যে যাই বলুক, কেন্দ্রগুলোকে শতভাগ নিরাপদ রাখতে প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। তবে যদি কেউ কোন রকম অসংগতি লক্ষ্য করেন তাহলে আমাদেরকে জানাবেন, অবশ্যই কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

এভাবে নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডে প্রায় অর্ধশত কাউন্সলর প্রার্থী কেন্দ্র দখল বা জাল ভোট হতে পারে মনে করে উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। 

অর্ধশত বস্তি : কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের ২৭টি ওয়ার্ডে প্রায় অর্ধশতাধিক বস্তি রয়েছে। যেখানে সমাজের অপক্ষোকৃত সুবিধা বঞ্চিত মানুষ। তাদের অধিকাংশেরই পেশা দিন মজুর। যেমন, কুলি, নাপিত, ধোপা, রিকশা চালক, ভ্যান চালক, ঝাড়–দার, ফেরিওয়ালা, জুতা-সেলাই-পালিশওয়ালা, ফুটপাত ব্যবসায়ী, ক্ষুদ্রদোকানি, গৃহকর্মী ও ভিক্ষুকসহ নানাবিধ পেশায় তারা জড়িয়ে থাকে। তাদের মধ্যে একদিকে যেমন শিক্ষার হার খুবই কম অপরদিকে রয়েছে বিপুল জনসংখ্যা। যেকোন নির্বাচন আসলেই এই বস্তিগুলোকে কেন্দ্র করে জম জমাট হয়ে উঠে ভোট কেনাবেচা। বিভিন্নভাবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই বস্তিবাসীদের বেশিরভাগ মানুষই সর্বশেষ যে প্রার্থী বেশি টাকা দিবে তাদেকে তার ভোট দেয়। তবে গড়ে এই অভিযোগটি আবার সবাইকে করা যাবে না। জানালেন তাদেরই কয়েকজন সদস্য। 

এই অর্ধ শতাধিক বস্তিবাসীর মধ্যে রয়েছে ১২ হাজার পরিবার। রয়েছে ৩৪ হাজার ভোট। এই ৩৪ হাজার ভোট ব্যাংকটি যাতে নিজেদের করে নেয়া যায় এজন্য তারা বিশেষ কৌশল গ্রহণ করেছে। কৌশল গুলোর মধ্যে রয়েছে, তাদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করে মেয়র নির্বাচিত হলে তাদের জন্য আগামীতে তারা কি করতে চান খুবই সংক্ষেপে তার একটি রূপরেখা করে তাদের মধ্যে বিলি করা হয়। তাদের নারী এবং পুরুষ ভোটারদের জন্য এখনি কিছু সুবিধা দেয়া পরবর্তীতে ভোটের ২/১ দিন আগে চূড়ান্তভাবে নগদ সুবিধা প্রধান করে তাদের ভোটগুলো নিশ্চিত করা। এই জন্য আবার তাদেরকে নির্দিষ্ট করে আছে আলাদা কমিটি। এই কমিটির কাজ হচ্ছে, আওয়ামীলীগ যখন বস্তিতে যাবে বিএনপির কমিটির সদস্যরা নজর রেখে তারা কি করল বা দিল তা জেনে পরবর্তীতে তারা যাওয়ার পর তারা আবার একইভাবে কিছুটা বেশি সুবিধা প্রদান করবে। আবার একই ভাবে কাজ করবে আওয়ামীলীগওয়ালারা, যখন বিএনপি বস্তি প্রবেশ করবে। যেহেতু, এরা নিম্ম আয়ের লোক ত্ইা তারা ভোট বেচা কেনা করবে এটা নিশ্চিত হয়েই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে দুই হেভিওয়েট মেয়র প্রার্থীরা থিংক ট্যাংক। তবে বিএনপির মনিরুল হক সাক্কু এবং আওয়ামীলীগের আঞ্জুম সুলতানা সীমা দুই প্রার্থীই নগদ সুবিধা প্রদানের কথা অস্বীকার করে পৃথকভাবে বলেছেন, আমাদের যোগত্য বিবেচনা করেই তারা আমাদের ভোট দিবে। 

দালাল চক্র সক্রিয় : প্রতিটি নির্বাচন আসলেই নগরীর বস্তী বড়িগুলোকে কেন্দ্র করে একটি দালাল চক্র সক্রিয় হয়ে উঠে। বস্তির মধ্যে থেকে কিছু আর বাইর থেকে কিছু গজে ওঠা দালাল প্রার্থীদের কাছে গিয়ে নিজেদের বস্তির নেতা হিসেবে প্রকাশ করে এবং সংশ্লিষ্ট ভোট ব্যাংকগুলো যে তাদেরই এটা তারা মরিয়া হয়ে প্রমাণ করার চেষ্টা করে। পরে এই দালাল চক্রের লোক গুলো বস্তির অসহায় লোকদের ঘর প্রতি মাথা বিক্রি করে নগদ সুবিধা গ্রহণ করে তাদের নাম মাত্র কিছু দিয়ে বাকিটা তারা আত্মসাত করে ফেলে। এই চক্রটি এবারো বেশ সক্রিয় হয়ে উভয় প্রাথীরা সাথে যোগায়োগ করে তাদের হীন স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করছে বলে খবর পাওয়া গেছে। 

এ বিষয় বস্তিবাসিদের বেশ কজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, তারা বলেন ভাই আমাদের একটাই সাফ কথা মার্কা টার্কা ভাই বুঝি না। আমরা গরিব মানুষ। আমাদের যারা সুবিধা দিবেন, আমরা তাদের পক্ষে কাজ করব। আবার এখানেও রয়েছে আওয়ামীলীগ বিএনপির কর্মী সমর্থক। তাদের বক্তব্য, আমরা মার্কা দেখে ভোট দেব। প্রার্থী যেই হোক না কেন। দল করি নগদ সুবিধা নেয়ার জন্য না। আবার বয়োবৃদ্ধ কিছু লোক আছেন, তাদের বক্তব্য, মার্কা বা নগদ সুবিধা তারা কিছুই চান না, তারা চান যে প্রার্থী যোগ্য তাদেরই ভোট দিবে। যারা তাদের পুরো বস্তির উানোন্নয়নের জন্য কাজ করবে। 

যানবাহনে নিষেধাজ্ঞা : এদিকে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচনী এলাকায় আজ বুধবার রাত ১২টা থেকে ৩০ মার্চ রাত ১২টা পর্যন্ত মোটরসাইকেলসহ সকল প্রকার যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। 

এদিকে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় থেকে নির্বাচনী এলাকায় সকল প্রকার যানবাহন চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে এক বিজ্ঞতি প্রকাশ করা হয়। 

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ‘আগামী ২৯ মার্চ বুধবার রাত ১২টা থেকে ৩০ মার্চ বৃহস্পতিবর রাত ১২টা পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন অনুমোদিত ছাড়া নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের যানবাহন চলতে পারবে না’। 

এছাড়া সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনী এলাকায় ‘২৭ মার্চ দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ৩১ মার্চ সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটরসাইকেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি থাকবে। কেউ বিধি লঙ্ঘন করলে তার বিরুদ্বে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে’। 

জানা গেছে, ২০১২ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রথম নির্বাচনে ভোটার ছিলো ১ লাখ ৬৯ হাজার ২৭৩জন। আর এবার ৩৮ হাজার ২৯৩ জন ভোটার বেড়ে এ সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৭ হাজার ৫৬৬ জনে। আগামীকাল ৩০ মার্চ বৃহস্পতিবার কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন (কুসিক) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ