বৃহস্পতিবার ০২ জুলাই ২০২০
Online Edition

আমতলীতে ডিএমডি রোগে আক্রান্ত দুই ভাই

আমতলী সংবাদদাতা: বরগুনা আমতলীতে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছে মরণব্যাধী ডিএমডি (ডুচেন্স মাসকুলার ডিসট্রোফি) রোগে আক্রান্ত আমতলীর দুই সহোদর নাঈম মুসুল্লী (১৪) ও সাইদুল মুসুল্লী (৭)। এ রোগে শরীরের হাত-পা শুকিয়ে পঙ্গু হয়ে অচল হয়ে যায় এবং আস্তে আস্তে মৃত্যুবরণ করে।
হাবিব মুসুল্লীর তিন পুত্র এ রোগে আক্রান্ত। গত বছর মে মাসে বড় ছেলে মিজান মারা গেছে। মেজো ছেলে নাঈম পঙ্গুত্ব অবস্থায় শয্যাশায়ী। ছোট ছেলে সাইদুলের দু’পায়ের থোড়া মোটা হয়ে গেছে। হাটতে কষ্ট হচ্ছে। খেয়ে না খেয়ে মানুষের কাছে সাহায্য চেয়ে বাবা দু’ছেলের চিকিৎসা করাচ্ছেন। ছেলেদের এ অবস্থায় দিশেহারা হতদরিদ্র বাবা ও মা।
জানা গেছে, বরগুনার আমতলী উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের উত্তর রাওঘা গ্রামের হাবিব মুসুল্লীর ২০ বছর পূর্বে ফেরদৌসী বেগমের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ের পরে স্বামী-স্ত্রী ঢাকায় দিন মজুরের কাজ নেয়। দুই বছর পরে তাদের কোল জুড়ে আসে একটি পুত্র সন্তান। নাম রাখা হয় মিজান মুসুল্লী। এর চার বছর পরে নাঈম এবং এগারো বছর পরে জন্ম নেয় সাইদুল মুসুল্লী।
মিজানের বয়স সাত বছর হলেই তার শরীরের পরিবর্তন দেখা দেয়। তার দুই পায়ের হাটু মোটা হয়ে আস্তে আস্তে হাত পা শুকিয়ে রগ খিচুনী দিয়ে পঙ্গুত্ববরণ করে। এভাবে নাঈমের ও একই অবস্থা দেখা দেয়। দুই ছেলেকে বাঁচানোর তাগিদে হত দরিদ্র মা ও বাবা সাধ্যমত চেষ্টা করেছেন। মিজান ও নাঈমকে ঢাকা পিজি হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়েছেন কিন্তু কোন চিকিৎসাই কাজে আসছে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ