শুক্রবার ১০ জুলাই ২০২০
Online Edition

ঢাকার মশার উপদ্রব, কেন?

কয়েকদিন যাবৎ টিভিতে বিজ্ঞাপনে দেখাচ্ছে, বাড়ির কোন জলাশয়ে কোন পানি জমা থাকলে অতি তাড়াতাড়ি তা পরিষ্কার করে ফেলতে। কারণ এখান থেকেই উৎপত্তি হয় ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া মশার। এটা সরকারের একটি মহৎ উদ্দেশ্য জনগণকে সচেতন করার। শুধু বাড়ি থেকেই যে এ সব মশার উৎপত্তি হয় তা কিন্তু নয়। যে কোন জলাশয় থেকেই উৎপত্তি হতে পারে। যে বাড়িতে ডেঙ্গু বা চিকুনগুনিয়া জর হবে সে বাড়ির মশার দ্বারা যে আক্রান্ত হবে তা নয়। রাস্তাঘাট, জলাশয়, ডোবা, নালা, খাল (যে খালগুলো আছে সে গুলো থেকে), নর্দমা, ডাস্টবিন, যে কোন স্থান থেকেই এ সব মশার দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে সবাই। মশার কোন পাসপোর্ট লাগ না। তারা যে কোন স্থানে জন্মগ্রহণ করে যে কোন স্থানে যেতে পারে। এরা গরীব বড়লোক বাছাবাছি করে না। সেটা মনে রাখতে হবে। শুধু লেখাপড়া বা বিজ্ঞাপন দিলেই সব দায়িত্ব শেষ হয় না। উপরি উল্লেখিত জায়গাগুলো পরিষ্কারের দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের। যদি মশারিই টানান হয়, তবে মশার ঔষধ ব্যয় করে লাভ কি? যারা মারা যাবার তারা ঔষধ দিলেও মরবে, না দিলেও মরবে।
এক সময় ঢাকাতে কম মশা ছিল। সে সময়ের ইকুইপমেন্ট থেকে এ সময়ের ইকুইপমেন্ট অনেক আধুনিক। তাই এসব ক্ষেত্রে প্রয়োজন কার্যকারিতার।
হ্যাঁ, ঔষধ ছিটাচ্ছে, কিন্তু কাজে না লাগলে অপচয় করে লাভ কলি। তাই ব্যাপারটি নিয়ে কর্তৃপক্ষ যেন আর একটু গভীরভাবে চিন্তা করেন।
-সাইদ উদ্দিন চাকলাদার, নন্দিপাড়া, মাদারটেক, ঢাকা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ