সোমবার ২৫ মে ২০২০
Online Edition

গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে রুলের রায় ৩০ জুলাই

স্টাফ রিপোর্টার : গত জুন থেকে দ্বিতীয় দফায় গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি কেন কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না জানতে চেয়ে হাইকোর্টের জারি করা রুলের শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ৩০ জুলাই রায়ের দিন নির্ধারণ করেছেন হাইকোর্ট।
গতকাল সোমবার বিচারপতি জিনাত আরা ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেন।
আদালতে বিইআরসি’র পক্ষে শুনানি করেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিতাস গ্যাসের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল  মোতাহার  হোসেন সাজু। সরকার পক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল ইশরাত জাহান। রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন সুব্রত চৌধুরী ও মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
গত ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) গৃহস্থালি ও গাড়িতে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত গ্যাসের দাম বাড়িয়ে গণবিজ্ঞপ্তি দেয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আবাসিক গ্রাহকদের আগামী ১ মার্চ থেকে এক চুলার জন্য মাসে ৭৫০ টাকা এবং দুই চুলার জন্য ৮০০ টাকা দিতে হবে। আর দ্বিতীয় ধাপে ১ জুন থেকে এক চুলার জন্য মাসিক বিল ৯০০ টাকা এবং দুই চুলার জন্য ৯৫০ টাকা হবে।
এ মূল্যবৃদ্ধির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আদালতে রিট আবেদন করেন কনজুমার এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) কনজুমার কমপ্লেইন হ্যান্ডলিং ন্যাশনাল কমিটির আহ্ববায়ক স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন।
রিটের শুনানি শেষে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট দ্বিতীয় দফায় গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধির সরকারি সিদ্ধান্ত ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। একই সঙ্গে দ্বিতীয় দফায় মূল্যবৃদ্ধি কেন কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিএইআরসি), চেয়ারম্যান ও সচিবসহ তিনজনকে রুলের জবাব দিতে আদেশ দেন। পরবর্তীতে মূল্যবৃদ্ধির আদেশ আপিল বিভাগে স্থগিত হয়ে যায়।
আইনজীবী সাইফুল ইসলাম শুনানিতে বলেছিলেন, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ এর ৩৪ ধারা বলা হয়েছে, কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত ট্যারিফ কোন অর্থবছরে একবারের বেশি পরিবর্তন করা যাইবে না, যদি না জ্বালানি মূল্যের পরিবর্তনসহ অন্য কোনরূপ পরিবর্তন ঘটে৷ কিন্তু সরকার ২৩ তারিখের গণবিজ্ঞপ্তি জারি করে ১ মার্চ ও ২ জুন থেকে দুই দফায় বাড়ানো হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ