শুক্রবার ১০ জুলাই ২০২০
Online Edition

সৈয়দ আলী আহসান ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার ধারক

স্টাফ রিপোর্টার : সৈয়দ আলী আহসানের স্মরণসভায় বক্তারা বলেছেন, বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী এক অসাধারণ সৃষ্টিশীল ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তার বহুমুখী অবদান ও কৃতিত্বে দেশ ও জাতি নানাভাবে সমৃদ্ধ ও উপকৃত হয়েছে। কবি হিসেবে সমধিক খ্যাতি অর্জন করলেও তিনি ছিলেন বহুমুখী প্রতিভার ধারক। তার অবদানে আমাদের সাহিত্য যেমন সমৃদ্ধ, সমাজ-সংস্কৃতি-শিক্ষা ও বুদ্ধিবৃত্তিক নানা দিক ও বিভাগও তেমনি ঋদ্ধ ও সমুন্নত হয়েছে। এসব ক্ষেত্রে তিনি স্বদেশে  যেমন বরেণ্য ও সম্মানিত ছিলেন, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তেমনি ছিলেন বিশেষভাবে সমাদৃত।  গত সোমবার বিকেলে রাজধানীর মগবাজারে নজরুল একাডেমি মিলনায়তনে ১৫ তম মৃতুবার্ষিকী উপলক্ষে মনীষী সৈয়দ আলী আহসান স্মরণ অনুষ্ঠানে তারা এ কথা বলা হয়। বেসরকারি সাংস্কৃতিক সংগঠন সেন্টার ফর ন্যাশনাল কালচার (সিএনসি) আয়োজিত উক্ত অনুষ্ঠানে আলোচনা ও দোয়ার সাথে সাথে কবিতা পাঠ ও পদক প্রদান করা হয়। কবি লিলি হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সিএনসি’র সহ-সভাপতি কবি মুহাম্মদ ফয়জুল কবীর এবং বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব আবদুল হান্নান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সিএনসি’র নির্বাহী পরিচালক মাহবুবুল হক। অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী মাসুদ রানা।

বক্তারা বলেন, সৈয়দ আলী আহসান শিক্ষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি ও মনন-চর্চার ক্ষেত্রে এক বিশাল মহীরুহ হিসেবে বিবেচিত হতেন। এসব ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন অভিভাবকতুল্য এক মহান ব্যক্তিত্ব, যার নিবিড় ছায়াতলে সমকালীন কবি-সাহিত্যিক-সংস্কৃতিসেবী-বুদ্ধিজীবীরা শান্তি ও স্বস্তি অনুবভব করেছেন। বিশাল বর্ণাঢ্য জীবনের অধিকারী সৈয়দ আলী আহসানের প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা মোট ১০৫টি। তিনি ছিলেন সিএনসি’রও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

অনুষ্ঠানের বিশেষ এক পর্বে এবারের ঈদ উদযাপন উপলক্ষে অসাধারণ প্রতিবেদন রচনা করায় দৈনিক প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক আশীষ-উর-রহমানকে “সিএনসি ঈদ সম্মাননা পদক-২০১৭” এবং রমযানের ওপর অসামান্য প্রতিবেদন উপস্থাপন করায় নয়া দিগন্তের সিনিয়র সাংবাদিক লিয়াকত আলীকে “সিএনসি রমযান সম্মাননা পদক-২০১৭” প্রদান করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ