সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

কেসিসি’র জোড়াগেট কুরবানির পশুরহাটে রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আদায়

খুলনা অফিস : এবার রেকর্ড পরিমাণ রাজস্ব আদায় হয়েছে খুলনা মহানগরীর জোড়াগেট কুরবানির পশুর হাটে। হাটে শেষ সময় পর্যন্ত ৮ হাজার ৪শ’ ৩টি পশু বিক্রি হয়েছে। আর এ পশু বাবদ হাসিল আদায় হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৩০ হাজার ৩৪৩ টাকা। অপরদিকে ডাক-ঢোল পিটিয়েও নির্ধারিত স্থানে পশু কুরবানিতে তেমন সাড়া মেলেনি। নির্ধারিত স্থানে মাত্র ৪ হাজার ৭শ’ পশু কুরবানি হয়েছে। কর্পোরেশন সূত্রে জানা গেছে, গত ২৬ আগস্ট খুলনা সিটি কর্পোরেশন পরিচালিত জোড়াগেট পশুর হাটের উদ্বোধন করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে হাটে পশু কেনা-বেচা শুরু হয় পরদিন অর্থাৎ ২৭ আগস্ট। হাট শেষ হয় ঈদের দিন সকালে। নির্ধারিত সময়ে ৮ হাজার ৪শ’ ৩টি পশু বিক্রি হয়েছে। এসব পশুর বাবদ হাসিল আদায় হয়েছে ২ কোটি ১০ লাখ ৩০ হাজার ৩৪৩ টাকা। এবার হাটের টার্গেট ধরা হয়েছিল ২ কোটি ১০ লাখ টাকা। টার্গেটের অতিরিক্ত ৩০ হাজার ৩৪৩ টাকা বেশি হাসিল আদায় হয়েছে। গত বছর ২০১৬ সালে এ হাট থেকে রাজস্ব আয় হয় ১ কোটি ৯৪ লাখ। এর আগে এ হাট থেকে ২০১০ সালে পশুর হাট থেকে রাজস্ব আয় হয় ৯১ লাখ ৭৬ হাজার ৪শ’ ৩৮ টাকা, ২০১১ সালে ৯৭ লাখ ৪৪ হাজার ৪শ’ ২১ টাকা, ২০১২ সালে ৯২ লাখ ৭০ হাজার ৯শ’ ৮৯ টাকা, ২০১৩ সালে ১ কোটি ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ৮শ’ ৬৬ টাকা, ২০১৪ সালে ১ কোটি ৪৯ লাখ ৮৭ হাজার ৮০ টাকা ও ২০১৫ সালে ১ কোটি ৯৩ লাখ ৩৩ হাজার ৫শ’ ৪৩ টাকা রাজস্ব আয় হয়। তবে এবার হাটে অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া কুরাবানির আগের দিন সন্ধ্যার পর হঠাৎ হাটে পশু সংকট দেখা দেয়। পরে অবশ্য মাঝরাতে ব্যাপক পশু আসে।
কেসিসি’র বাজার সুপার সালাউদ্দিন গাজী বলেন, এবার কেসিসি’র টার্গেট পূরণ হয়েছে। হাটের সার্বিক পরিস্থিতি অনেক ভালো ছিল।
এদিকে ডাক- ঢোল পিটিয়েও নির্ধারিত স্থানে পশু কুরবানিতে তেমন সাড়া মেলেনি। নির্ধারিত স্থানে মাত্র ৪ হাজার ৭শ’ পশু কুরবানি হয়েছে। নগরীতে মোট পশু কুরবানি হয়েছে অন্তত ১০ হাজার।
কর্পোরেশনের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. রেজাউল করিম বলেন, শতকরা ৫০ ভাগ পশু নির্ধারিত স্থানে জবাই হয়েছে। বাকী পশু নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জবাই করা হয়েছে। তবে নির্ধারিত স্থানে পশু জবাইয়ের পরিমাণ বাড়ছে।
কেসিসি’র কঞ্জারভেন্সি বিভাগ জানায়, ঈদে নগরবাসীর ভোগান্তি কমাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ