রবিবার ০৫ জুলাই ২০২০
Online Edition

জাতীয় ক্রিকেট লিগের তিনটি ম্যাচই ড্র

স্পোর্টস রিপোর্টার : ড্র হয়েছে জাতীয় ক্রিকেট লিগের তিনটি ম্যাচই। দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে খুলনায় ড্র হয়েছে রাজশাহী ও ঢাকা মেট্রোর ম্যাচ। প্রথম ইনিংসে রাজশাহীর ২২০ রানের জবাবে ঢাকা মেট্রো প্রথম ইনিংস ঘোষণা করে ৯ উইকেটে ৩২৯ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে রাজশাহী ৩ ওভার খেলার পর আলোক স্বল্পতায় বন্ধ হয় খেলা। ম্যাচ হয় ড্র। ৫৪ রান নিয়ে শেষ দিন শুরু করেছিলেন মার্শাল, ১৭ রান নিয়ে মেহরাব। লাঞ্চ পর্যন্ত আর কোনো উইকেট হারায়নি ঢাকা মেট্রো। দুজনের জুটি দলকে অনেকটা এগিয়ে নেয় লাঞ্চের পরও।
২৩৩ বলে মার্শাল স্পর্শ করেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে ১৫তম সেঞ্চুরি। আউট হন ১৩ চার ও ২ ছক্কায় ২৯২ বলে ১৩১ রান করে। ১৭তম সেঞ্চুরি থেকে ১১ রান দূরে আউট হন মেহরাব। এই দুজনের পর নয় নম্বরে নেমে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৪৪ বলে ৪৪ রান করেন ডার মাহমুদ। খুলনা ছাড়ায় তিনশ। ডলারকে ফিরিয়েই সানজামুল পূর্ণ করেন ক্যারিয়ারের দ্বাদশ ৫ উইকেট। রাজশাহী শেষ বিকেলে ব্যাটিংয়ে নেমে হারায় নাজমুল  হোসেন শান্তর উইকেট। এর পরপরই ম্যাচ ড্র। তবে ড্র হওয়া ম্যাচে মার্শাল আইয়ুব করেছেন সেঞ্চুরি আর সানজামুল ইসলাম নিলেন ৫ উইকেট। অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া হলো মেহরাব হোসেন জুনিয়রের। ড্র হয় প্রথম স্তরের ঢাকা-খুলনার ম্যাচটি। ঢাকার ৫১৯ রানের জবাবে আগের দিন ২৪৭ রানে অলআউট হয় খুলনা। ফলো অনে ব্যাট করতে নেমে ৭ ওভারে ৭ রান নিয়ে শেষ হয় দিন। শেষ দিনে সকাল থেকেই সাবধানী ছিল খুলনার ব্যাটসম্যানরা। উদ্বোধনী জুটিতে এনামুল হক ও রবিউল ইসলামের জুটিতে ২৯ রান উঠলেও দুজন বল খেলেন ১৩২ টি। বাঁহাতি স্পিনার মোশাররফ হোসেন অল্প সময়ের মধ্যে রবিউল ও মেহেদি হাসানকে তুলে নিয়ে আশা জাগে ঢাকার। তবে তৃতীয় উইকেটে এনামুল ও তুষারের জুটিতেই ম্যাচ এগোয় ড্রয়ের পথে। সোয়া ৪ ঘণ্টা উইকেটে কাটিয়ে ১৭২ বলে ৩৫ রান করেন এনামুল। অভিজ্ঞ তুষার খেলেন ১৮৯ বলে ৬৩ রানের ইনিংস। এরপর মিঠুনের ৭০ বলে অপরাজিত ৩৭ রানের ইনিংস নিশ্চিত করে দেয় ড্র। প্রথম ইনিংসে ক্যারিয়ার সেরা ১৬৬ রান করে ম্যাচ সেরা ঢাকার নাদিফ  চৌধুরী। ড্র হয়েছে প্রথম স্তরে বরিশাল ও রংপুরের ম্যাচও। তবে রাজশাহীতে এই ম্যাচে ক্রিকেট হয়েছে সামান্যই। প্রথম দুই দিন বৃষ্টিতে ভেসে যাওয়ার পর তৃতীয় দিনে খেলা হয়েছিল ১৬.২ ওভার। শেষ দিনে আবার বৃষ্টিতে ভেসে গেছে গোটা দিন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ