রবিবার ১৬ আগস্ট ২০২০
Online Edition

বাংলাদেশ-ভারত ৫ রুটে টেন্ডার কার্যক্রমের বাধা নাই

স্টাফ রিপোর্টার : ভাড়া নির্ধারণ না করে দুই বছরের জন্য ভারতের সঙ্গে ৫ রুটে বাস অপারেটর নিয়োগে দেয়া বিআরটিসির টেন্ডার (দরপত্র) প্রক্রিয়া নিয়ে জারি করা রুল খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। রুল খারিজ করে আদালত এর আগে জারি করা স্থিতাবস্থা তুলে নিয়েছেন। স্থিতাবস্থা তুলে নেয়ায় টেন্ডার কার্যক্রম চালাতে এখন আর বাধা নেই। পাঁচটি রুট হলো-ঢাকা-কলকাতা, আগরতলা-ঢাকা-কলকাতা, ঢাকা-খুলনা-কলকাতা, ঢাকা-আগরতলা ও ঢাকা-সিলেট-শিলং-গুয়াহাটি।
গতকাল বুধবার বিচারপতি মো. রেজাউল হক ও বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতে বিআরটিসির পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মনিরুজ্জামান। রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন।
পরে আইনজীবী মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্ট এ বিষয়ে জারি করা রুল খারিজ করে স্থিতাবস্থা তুলে নিয়েছেন। এখন টেন্ডার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে বাধা নেই।
এর আগে গত ২৩ নবেম্বর টেন্ডার কার্যক্রমে হাইকোর্টের স্থিতাবস্থা বহাল রেখে রুল ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন আপিল বিভাগ। এ পাঁচ রুটে বাস অপারেটর নিয়োগের জন্য গত ৪ জুলাই একটি জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। তবে ভাড়া নির্ধারণ না করে এ ধরনের বিজ্ঞপ্তি চলমান ভাড়া নৈরাজ্যকে আরও উসকে দেবে-এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। তারা গত ১৩ জুলাই সরকারকে দুই দেশের প্রটোকল অনুযায়ী ভাড়া নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারির আবেদন জানায়। পরে এ বিষয়ে সরকারের কাছ থেকে কোনো সদুত্তর না পেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী।
ওই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে গত ২৩ জুলাই রুল জারি করেন হাইকোর্ট। ভাড়া নির্ধারণ না করে বাস অপারেটর নিয়োগ দেয়ার টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি কেন আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না-তা জানতে চাওয়া হয় রুলে। একই সঙ্গে টেন্ডার কার্যক্রম স্থিতাবস্থা জারি করেন হাইকোর্ট। এই রুল গতকঅল বুধবার খারিজ করা হলো।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ