সোমবার ০১ জুন ২০২০
Online Edition

সাংবাদিকদের মারপিট ও ক্যামেরা ছিনতাইয়ের ঘটনায় থানায় মামলা, ৫ জন গ্রেফতার

নওগাঁ সংবাদদাতা: নওগাঁর সাপাহারে নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও চ্যানেল আই এর প্রতিনিধি এবং এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের জেলা প্রতিনিধি রায়হান আলম সংবাদ সংগ্রহকালে তাদেরকে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক শাহজাহান আলীর ক্যাডার বাহিনী মারপিট ও ক্যামেরা ছিনতাইয়ের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ।
গত বুধবার বিকেলে সাপাহার সদরের গিয়াস মার্কেটে ঘটনাটি ঘটে। জানা গেছে, আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব শাহজাহন আলী ও ওসমান গনি বাবুর মধ্যে গিয়াস মার্কেটের একাংশ জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলে আসছিল।
শাহজাহান আলী তার কিছু লোকজন নিয়ে ওই মার্কেট গত সোমবার দুুপরে জোরপূর্বক দখল নেয়। এ ঘটনার সংবাদ পেয়ে গত বুধবার দুপুরে নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও চ্যানেল আই-এর জেলা প্রতিনিধি কায়েশ উদ্দীন ও এটিএন বাংলার প্রতিনিধি রায়হান আলম ঘটনাস্থলে এসে উভয় পক্ষ সাক্ষাৎকার গ্রহণ শেষে দখলকৃত জায়গার ফুটেজ নিতে গেলে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নামধারী কতিপয় সন্ত্রাসী চড়াও হয়ে বেধড়ক মারপিট জোরপূর্বক হাত থেকে ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয়। পরে পুলিশের মাধ্যমে ছিনিয়ে নেয়া ক্যামেরাটি উদ্ধার করে দেন।
পরে সাংবাদিকগণ স্থানীয় থানার বিষয়টি মীমাংসার জন্য দখলকৃত জায়গার মালিক শাহজাহন আলী ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব শামসুল আলম শাহ চৌধুরী স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও নওগাঁ জেলা প্রেস ক্লাবের সকল সাংবাদিকের উপস্থিতিতে এবং পুলিশ প্রশাসনের যৌথ আলোচনা শেষে সন্ধ্যায় মীমাংসার ফলাফল হিসেবে সাংবাদিক লাঞ্ছিত দুস্কৃতকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পর ঐদিন সন্ধ্যায় পুলিশ সাপাহার করলডাঙ্গা পাড়ার বাবলু রহমানের ছেলে নুরে আলম পিংকি (২৫),ওড়নাপুর গ্রামের মৃত তাহের সরকারের ছেলে আবু তালেব (বাবু সরকার) (৩৮), বিদ্যানন্দী (বাহাপুর) গ্রামের মৃত আব্দুল ছাত্তারের ছেলে আনোয়ার হোসেন আনু(৩৫),সাপাহার গোডাউন পাড়ার আনিসুর রহমানের ছেলে রুহুল আমিন (৩৫)ও ইয়াকুব আলীর ছেলে মোকলেছেুর রহমান (৩২)কে গ্রেফতার করে তারা সবাই শাজাহান আলীর ক্যাডার বাহিনী ও আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। বৃহস্পতিবার গ্রেফতারকৃতদের নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
সাপাহার থানার অফিসার ইনচার্জ সামসুল আলম এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন তাৎক্ষনিক ভাবে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বাকীদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ