বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

চুয়াডাঙ্গাসহ উপজেলা ও পৌর শহরে মাইকের উচ্চ শব্দে অতিষ্ঠ মানুষ

এফ,এ আলমগীর, চুয়াডাঙ্গা : ‘সুখবর,সুখবর,সুখবর। মাংসপ্রিয় ভোজনবিলাসীদের জন্য সুখবর। আগামীকাল সকালে কদম আলীর মাংসের দোকানে একটি মহিষ জবাই করা হবে। মহিষটির মূল্য ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা। আগে আসলে আগে পাবেন... প্রতিনিয়ত উচ্চ শব্দে মাইকে এমন সব প্রচারণায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে চুয়াডাঙ্গার সাধারন মানুষ।
জেলার শহরের কয়েকজন বাসিন্দা জানালেন, শহরে সকাল থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত প্রতিদিন উচ্চ শব্দে মাইক বাজিয়ে সিনেমা, সভা-সমিতি, রাজনৈতিক-সামাজিক সংগঠনের কর্মসূচি, ভোগ্যপণ্য, চিকিৎসকের সেবা, মলম-মাজন বিক্রি, গরু-ছাগল হারানো, প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফকির মিসকিনদের দল বেধে কিংবা একাকী ভ্যানে মাইক বেধেঁ হৃদয়গ্রাহী ভাষায় আর্তনাদ, ওয়াজ মাহফিল,ভ্যানে রোহিঙ্গা ডাউল ও ডিম বিক্রি,চুরিমালা, গরমের আরাম মালাই আইসক্রিম,বাদামভাজা,কটকটি,ভ্রাম্যমান হালখাতাসহ নানা প্রচারণায় উচ্চ শব্দে মাইকের ব্যবহার চালানো হয়। ফলে রাস্তার পাশে থাকা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, হাসপাতাল, অফিস, ব্যাংক-বীমার দাপ্তরিক কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। দামুড়হুদা শহরের দশমী পাড়ার কয়েকজন শিক্ষার্থী মিম, রুবিনা, তন্নি, আব্দুর রহমান, তানভিরসহ অনেকের অভিযোগ, রাতের বেলায় মাইকিংয়ের আওয়াজে পড়ার মনোযোগ নষ্ট করে দেয়। এতে আমাদের ব্যাঘাত ঘটে। দর্শনার ব্যবসায়ী মেহেদি হোসেন বলেন, ‘শহরে উচ্চ শব্দে রাত-দিন মাইকিং চলছে। মাইকিংয়ের আওয়াজে কান ঝালাপালা হয়ে যায়। এতে অতিষ্ঠ হয়ে গেছি।’ বিধিমালায় শব্দের মানমাত্রা অতিক্রম না করার শর্তে মাইক, এমপ্লিফায়ার ব্যবহার করতে হলে যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি নেওয়ার বিধানও আছে। তবে শহরবাসীর অভিযোগ, শহরে মাইকিংয়ের ক্ষেত্রে এ বিধান মানা হয় না। বিধান মানা না হলেও প্রশাসন আইনের প্রয়োগ করে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ