শনিবার ০৮ আগস্ট ২০২০
Online Edition

মশার ভয়াবহ উৎপাত বন্ধে করণীয়

মো. ইয়ামিন খান : সাম্প্রতিক সময়ে রাজধানী শহর ঢাকায় মারাত্মক আকারে বেড়ে গেছে  মশার উপদ্রব। সন্ধ্যা হলেই আর মশারীর বাইরে থাকার আর উপায় নেই। বাসা-বাড়ি থেকে শুরু করে দোকান-পাট পর্যন্ত মশার উপদ্রব যেন বেড়েই চলছে। মশা দমনে বাড়তি খরচ হিসেবে কয়েল ও অন্যান্য ঔষধ সরঞ্জাম কেনা হলেও তা জনস্বাস্থ্যের জন্য যে ক্ষতিকর তা অনেক বিশেষজ্ঞরাও বলছেন তার পরেও কোনো উপায়ন্তর না দেখে মানুষ এখন কয়েল ও মশা নিধনের ঔষধ সরঞ্জামের দিকে বেশি ঝুঁেক পড়ছে  আমরা জানি, আজ নানা কারণে নাগরিক জীবন অতিষ্ঠ। ভোগান্তির যেন শেষ নেই। কোথাও কোথাও ঠিকমতো মিলছে না গ্যাস, রাস্তায় যানজট ও ধুলোবালি। কিছু কিছু এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রাস্তা খোঁড়াখুঁড়ির কাজ চলায় ঐসব এলাকার মানুষ ধুলোর অত্যাচার সহ্য করছে। বর্ষা মৌসুম আসার আগে অনেক জায়গার ড্রেনের পানি উপচে পড়ে এসে রাস্তায় চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। সেসব পানি আবার জমে থাকছে ছোট নর্দমায়। এসব জমে থাকা নোংরা ছোট নর্দমায় বংশবৃদ্ধি হচ্ছে মশাদের। এদিকে বর্ষা মৌসুম আসন্ন । আগে থেকে ব্যবস্থা না নিলে বর্ষার পানিতে মশার বংশবিস্তার আরো বহুগুণে বৃদ্ধি পেতে পারে কেননা বর্ষার মৌসুমে এডিস মশার উপদ্রব খুব বেড়ে যায় । দেখা দেয় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব । সম্প্রতি দেখা গেছে চিকুনগুনিয়াও। এখন  মশা নিধনে সামান্য ঔষধ ছিটিয়ে চেষ্টা করা হচ্ছে ।
মশা নিধন নিয়ে জনমনে সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগ নিয়ে ব্যাপক সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি ক্ষোভেরও সৃষ্টি হয়েছে। এক প্রকার ফগার মেশিন দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মশা নিধনের চেষ্টা করা হলেও কার্যকর কোনো সমাধান আসছে না। মশা নিধনে যেন ঔষুধ পর্যাপ্ত ছিটানো হয় আর ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত রোগীদের যেন পর্যাপ্ত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় সেজন্য সরকারকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে ।
-ফরিদপুর থেকে

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ