শুক্রবার ০৩ জুলাই ২০২০
Online Edition

রাজৈরে মা ও দাদির সামনেই মারা গেল অবুঝ শিশু

রাজৈর (মাদারীপুর) সংবাদদাতা : সড়কের পাশে বাড়ি হওয়ায় অবুঝ শিশু ছাবিদুর ফকিরকে (০৪) অকালেই চলে যেতে হলো। মা শিশুটিকে সুজি খাওয়াচ্ছিলেন আর দাদি পাশেই দাঁড়িয়ে ছিলেন হঠাৎ করেই শিশুটি রাস্তার ওপর দৌড় দিয়ে দাঁড়ানোর সাথে সাথেই দ্রুতগামী ইজি বাইক তাকে চাপা দেয়। ঘটনা স্থলেই শিশুটি মারা যায়। ঘটনাটি ঘটেছে রাজৈর উপজেলার আমগ্রাম বাজারের দক্ষিণ পাশে কাজী বাড়ির সামনে গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫ ঘটিকার সময়। ছাবিদুরের বাবার নাম সামীম ফকির। সে পেশায় গার্মেন্টস শ্রমিক। শিশুটি মারা যাওয়ায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। অনেকেই অদক্ষ ইজি বাইক চালকদের গ্রামীণ সড়কে গাড়ি চালানোকে সড়ক দুর্ঘটনার জন্য দায়ী করেছেন।

ট্যাগ অফিসার

এইচএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র রাজৈর-৩ এর মূল কেন্দ্র ও ভেনু কেন্দ্রে স্মার্টফোন সাথে নিয়েই দায়িত্ব পালন করেন ট্যাগ অফিসার। সরেজমিনে দেখা যায়,  বাংলা ১ম ও ২য় পত্র পরীক্ষার সময় মূল কেন্দ্রে সহকারী  প্রোগ্রাম অফিসার মোঃ আসাদুজ্জামান খান ও ভেনু কেন্দ্রে  উপজেলা প্রতিবন্ধী কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ স্মার্টফোন সাথে নিয়েই কেন্দ্রের এক রুম থেকে অন্য রুমে ঘুরে ঘুরে দায়িত্ব পালন করছেন। অথচ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় জানা যায়, কেন্দের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। দায়িত্বরত শিক্ষকগণ নিয়মটি মেনে চললেও উক্ত দুই কর্মকর্তা তা মানছেন না। এ ব্যাপারে আসাদুজ্জামান খানের কাছে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান ইউ,এন,ও মহোদয়ের অনুমতি নিয়েই তিনি মোবাইলফোন সাথে রাখছেন। রাজৈরের ইউ,এন,ও (ভারপ্রাপ্ত) মোশারেফ হোসেন জানান, আমারই স্মার্টফোন নিয়ে কেন্দ্রে যাওয়ার অনুমতি নেই।  বিষয়টি আমি খোঁজ নিয়ে দেখব।

মর্মান্তিক!

খুলনা অফিস : খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানার আলমনগর পোড়া মসজিদ এলাকায় বিআরটিসির একটি বাস চাপায় মা ও মেয়ে নিহত হয়েছেন। বুধবার সকালে রাস্তা পার হওয়ার সময় বাসটি তাদের চাপা দেয়। এ ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা বিআরটিসির অপর একটি বাস ভাঙচুর করেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন, সকালে গৃহবধূ শিমুল আকতার তার ছয় বছরের মেয়ে তন্বীকে নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন। এ সময় বরিশালগামী বিআরটিসির একটি বাস তাদেরকে চাপা দিলে তন্বী ঘটনাস্থলেই মারা যায়। শিমুল আকতারকে আহত অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর তিনিও মারা যান।

পরে উত্তেজিত জনতা বিআরটিসির ঢাকাগামী টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস বাস ভাঙচুর করে। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও বাসটি উদ্ধার করে খালিশপুর থানায় নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে খালিশপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরদার মোশাররফ হোসেন বিআরটিসির বাস চাপায় মা ও মেয়ে নিহত ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।

খালিশপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) হালিম বলেন, খালিশপুর থেকে বরিশালগামী বিআসটিসির বাস মা-মেয়েকে রাস্তা পার হওয়ার সময় চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থানেই মেয়ের মৃত্যু হয়। মা গুরুতর আহত হন। তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, ওই এলাকার মুদি দোকান থেকে মালামাল ক্রয় করে মেয়েকে নিয়ে রাস্তা পার হচ্ছিলেন প্লাটিনাম জুট মিলের শ্রমিক দুলাল মিয়ার স্ত্রী শিমুল আক্তার। এ সময় বরিশালগামী একটি বিআরটিসি বাস তাদের চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। উত্তেজিত জনতা পরবর্তীতে বিআরটিসির একটি ঢাকাগামী বাস ভাঙচুর করে।

১৭৮ বাওয়ালি উদ্ধার : সুন্দরবনে জিম্মি ১৭৮ বাওয়ালি দস্যুদের হাতে জিম্মি ১৭৮ জন বাওয়ালিকে উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় ৫৫টি নৌকাও উদ্ধার করা হয়। খুলনার দাকোপ উপজেলার সুন্দরবন সংলগ্ন টেপার ভাড়ানি খাল এলাকা থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। 

কোস্টগার্ড মংলা জোনের সহকারী পরিচালক (গোয়েন্দা) লে. কমান্ডার আব্দুল্লাহ আল মারুফ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, মোশারফ বাহিনীর হাতে তারা জিম্মি ছিল। গোপন খবরের ভিত্তিতে কোস্টগার্ড মংলা জোন রোববার দিবাগত রাত ২টায় অভিযান শুরু করে। সোমবার বিকেল ৫টায় অভিযান শেষ হয়। দাকোপ থানার টেপার ভাড়ানি খাল সংলগ্ন এলাকা থেকে ১৭৮ জন বাওয়ালিসহ ৫৫টি নৌকাও উদ্ধার করা হয়। বাওয়ালিদের জিম্মি করে দস্যুরা নৌকায় অবস্থান করছিল। কোস্টগার্ড সদস্যদের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা গুলী চালায়। এই সময় কোস্টগার্ড সদস্যরাও পাল্টা গুলী চালায় এবং দস্যুদের ধাওয়া করে। কিন্তু, দস্যুরা ইঞ্জিনচালিত নৌকা দিয়ে গহীন জঙ্গলে পালিয়ে যায়। এই সময় ডাকাতদের দু’টি আস্তানা ধ্বংস করা হয়। উদ্ধার বাওয়ালিদের বাড়ি খুলনার দাকোপ থানার বিভিন্ন গ্রামে। বাওয়ালি ও নৌকা পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়ার জন্য আদাচাই ফরেস্ট অফিসে হস্তান্তর করা হয়। কোস্টগার্ড বাহিনীর মহাপরিচালক রিয়ার এডমিরাল আওরঙ্গজেব চৌধুরী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দস্যু নির্মূলে কোস্টগার্ড বাহিনীর অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ