মঙ্গলবার ০২ জুন ২০২০
Online Edition

শোকের মাসে জনগণের দুঃখ আর বাড়াবেন না

স্টাফ রিপোর্টার: মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে বলেন, এখন শোকের মাস (অগাস্ট) চলছে। শোকের মাসে জনগণের দুঃখ আর বাড়াবেন না। কোটা আন্দোলন ও নিরাপদ সড়কের আন্দোলন থেকে গ্রেফতারকৃত শিক্ষার্থীদের মুক্তি দিয়ে, দয়া করে এই ছাত্রদেরকে পড়াশোনায় নিয়মিত হওয়ার সুযোগ করে দিন।
গতকাল সোমবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে গণমাধ্যমকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে এবং গ্রেফতারকৃত শিক্ষার্থীদের মুক্তির দাবিতে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এ আহ্বান জানান। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সহ সভাপতি ফরিদ উদ্দিন আহমেদ ও আয়োজক সংগঠনসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
গত ২৯ জুলাই ঢাকার বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনে সরব হয় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। সপ্তাহব্যাপী এই আন্দোলনের শেষ দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল। ঢাকার বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা, রামপুরা ও সায়েন্সল্যাব এলাকায় ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। পরে গ্রেফতার করা হয় অন্তত ২২ জন শিক্ষার্থীকে।
জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, নিরাপদ সড়কের নিশ্চয়তা ও সড়কে নানা অব্যবস্থাপনার সংস্কার চেয়ে ছাত্রদের আন্দোলনকে সরকার সঠিক বলে অভিহিত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেও শিক্ষার্থীদেরকে ওই আন্দোলনের জন্য প্রশংসা করেছেন। তবে কেন ২২ জন ছাত্রকে এই আন্দোলনের জন্য গ্রেফতার করে রাখা হল?
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, আন্দোলনের শেষ দিকে ষড়যন্ত্রকারীরা ঢুকে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টায় নেমেছিল। এদের ছাড় না দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের মধ্যে যারা গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন, তাদের অবিলম্বে মুক্তির দাবি জানান জাফরুল্লাহ। একইসাথে তিনি আলোকচিত্রী শহিদুল আলমেরও মুক্তি দাবি করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ