বুধবার ০৩ জুন ২০২০
Online Edition

ঢাকার একটি বুথে দুই ঘন্টায় মাত্র ১টি ভোট

স্টাফ রিপোর্টার: খুব কম ভোটারের উপস্থিতিতে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। রাজধানী গুলশানের ভোট কেন্দ্রের একটি বুথে দুই ঘন্টায় মাত্র ১টি ভোট পড়ে। বুথের দায়িত্বরত সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার জানান, ভোটারের উপস্থিতি খুব কম। দুই ঘন্টায় মাত্র একটি ভোট পড়েছে। হয়তো শীতের কারণে হতে পারে।
গতকাল রোববার একাদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনের গুলশান মডেল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে গিয়ে ভোটার ও ভোটের এমন চিত্র দেখা যায়। দায়িত্বরত সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
সারা দেশের মতো গতকাল এ কেন্দ্রটিতে সকাল ৮টা থেকে নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শুরু হয়। সকাল ১০টার সময় কেন্দ্রটিতে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় একটি বুথে মাত্র একটি ভোট পড়েছে। গুলশান মডেল উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পাঁচটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়। এর মধ্যে ৬৮ নম্বর কেন্দ্রের বুথ সংখ্যা পাঁচটি। কেন্দ্রটির ৫ নম্বর মহিলা বুথে ভোট গ্রহণের দুই ঘন্টার মাথায় মাত্র ১টি ভোট কাস্ট হয়েছে বলে জানান বুথের দায়িত্বে থাকা সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার। আর কেন্দ্রটির ৪ নম্বর বুথে ভোট পড়ে মাত্র ৩টি। এ ছাড়া ৩ নম্বর বুথে ১১টি, ২নম্বর বুথে ৫টি এবং ১নম্বর বুথে ১১জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করে। সবমিলে ভোট গ্রহণ শুরুর দুই ঘন্টা পর কেন্দ্রটিতে মাত্র ৩১ জন ভোটার তাদের ভোট দেন। কেন্দ্রটিতে ভোটারদের লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়নি। একজন একজন করে আসছেন আর সরাসরি বুথে ঢুকে ভোট দিয়ে যাচ্ছেন। কেন্দ্রটির পাঁচটি বুথের মধ্যে একটিতে ধানের শীষের এজেন্ট হিসাবে পরিচয় দেয়। অন্যদিকে নৌকার একাধিক এজেন্টকে দেখা গেছে। তাদের গলায় ঝুলানো ছিল নৌকার প্রার্থী ফারুকের ছবি সম্বলিত নৌকার কার্ড। এ আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ছিলেন আন্দালিব রহমান পার্থ। কেন্দ্রের মধ্যে কিংবা বাইরে ধানের শীষের কার্ড ঝুলানো কোনো কর্মী, সেচ্চাসেবক কিংবা সমর্থকের দেখা মেলেনি।
 ভোটারদের উপস্থিতি এতো কম কেন জানতে চাইলে কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং অফিসার মুজিবুর রহমান বলেন, আমি শুনেছি অতীতের নির্বাচনগুলোতে নাকি এমনই উপস্থিতি হতো। তবে দুপুরের দিকে ভোটারদের উপস্থিতি বাড়তে পারে। একটি বুথে একটি ভোট পড়ার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভোটারদের কেন্দ্রে আসার অবাধ সুযোগ রয়েছে। না আসলে আমাদের তো কিছু করার নেই। তবে ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রয়েছে।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠানটিতে মোট পাঁচটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়। অন্য কেন্দ্রগুলো ৬৪, ৬৫, ৬৬ ও ৬৭ নম্বরে ভোটাররা তাদের ভোটাধীকার প্রয়োগ করে। এসব কেন্দ্রগুলোতেও ভোটারদের উপস্থিতি ছিল খুবই কম। লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেয়ার দৃশ্য চোখে পড়ে নাই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ