মঙ্গলবার ২৬ মে ২০২০
Online Edition

সখিপুরে গৃহবধূ হত্যার দুইমাস পর হত্যাকারী স্বামী মেহেদী গ্রেফতার

সখিপুর (টাঙ্গাইল) সংবাদদাতা : টাঙ্গাইলের সখিপুর পৌরসভার জেলখানা মোড় ৮নং ওয়ার্ডে গৃহবধূ নিলুফা আক্তার হত্যার দুইমাস পর হত্যাকারী স্বামী জাহাঙ্গীর আলম মেহেদীকে গ্রেফতার করে। বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করেছে সখিপুর থানা পুলিশ । জানা গেছে, গত ১০ অক্টোবর/১৮ইং তারিখ দিবাগত রাতে সখিপুর পৌরসভার জেলখানা মোড় ৮নং ওয়ার্ডের কাউচিচালা এলাকায় জনৈক আব্দুল হামিদ এর ভাড়াটিয়া বাসার একটি কক্ষে নিলুফা আক্তারের অর্ধগলিত লাশ পাওয়া যায়। ডিসিস্ট নিলুফা আক্তার এর বাবা সুরুজ আলী বাদী হয়ে গত০২ নবেম্বর/১৮ইং তারিখ নিলুফার স্বামী জাহাঙ্গীর আলম মেহেদীর নাম উল্লেখ করে সখিপুর থানায় মামলা (নং ০৩ তাং ০২/১১/১৮ইং ধারা ৩০২/৩৪)। সখিপুর থানার এসআই ওবায়দুল্লাহ মামলাটি তদন্ত করেন। হত্যাকান্ডটি লোমহর্ষক ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় টাঙ্গাইল জেলার পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার নিজে সার্বক্ষনিক মনিটরিং করেন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সখিপুর সার্কেল) মো.মোহসিন ও সখিপুর থানার ওসি আমির হোসেন এর নেতৃত্বে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সখিপুর থানা পুলিশের বিশেষ টিম চৌকশ ,ডিবি(দক্ষিন) দক্ষ,চৌকশ কনস্টেবল শামসুজ্জামান এর সহযোগিতায় তথ্য প্রযুক্তিগত কলা কৌশল অবলম্বন করে ও বিভিন্ন ছদ্মবেশ ধারন করে তদন্ত কার্যক্রম চালানো হয়। অবশেষে অক্লান্ত পরিশ্রম গভীরভাবে তদন্ত করে নিজেদের প্রযুক্তিতে ফাঁদে ফেলে সখিপুর থানাধীন হামিদপুর এলাকা থেকে হত্যাকারী জাহাঙ্গীর আলম মেহেদী(২৭)কে গত বুধবার রাতে গ্রেফতার করে সখিপুর থানা পুলিশ। সে বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার বাবলু প্রামানিকের ছেলে। গ্রেফতার হওয়ার পর হত্যাকারী মেহেদী টাঙ্গাইল আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকার করেছে যে,পারিবারিক কলহের কারনে সে তার স্ত্রী নিলুফাকে শ^াসরোধ করে হত্যা করেছে এবং লাশ বিভিন্নস্থানে আতœগোপন করার চেষ্টা করে পালিয়ে যায়। স্ত্রীকে হত্যার দুইমাস পর হত্যাকারী স্বামী জাহাঙ্গীর আলম মেহেদী গ্রেফতার হলো।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ