শুক্রবার ০৫ জুন ২০২০
Online Edition

ফের ডাকসুর নির্বাচনের দাবিতে ভিসির কার্যালয় ঘেরাও

গতকাল সোমবার ঢাবি ক্যাম্পাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এবং পুনঃনির্বাচনের দাবিতে ৫ প্যানেলের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করে -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ এবং ফের নির্বাচনের দাবিতে ভিসির কার্যালয় অবরোধ করার পর সেখানে অবস্থান কর্মসূচি স্থগিত করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। পরে তারা নতুন কর্মসূচি জানোবেন বলে জানিয়েছেন নেতারা। অবস্থান কর্মসূচিতে সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ, বাম জোট ও স্বতন্ত্র প্যানেলের প্রার্থী ও সমর্থকরা অংশ নিয়েছেন।
গতকাল সোমবার বিকাল ৫টায় আন্দোলনরত প্যানেলের প্রার্থী ও সমর্থকদের পক্ষ থেকে এই ঘোষণা দেন ডাকসু নির্বাচনে জিএস পদপ্রার্থী রাশেদ খাঁন এবং অরণি সেমন্তি খাঁন।
অরণি সেমন্তি খাঁন বলেন, আমরা হতাশ। এটা আমাদের জন্য লজ্জার যে আমাদের শিক্ষক যারা আছেন তারা আমাদের অভিভাবক হিসেবে আমাদের সাথে দেখা করার কথা ছিল। কিন্তু তারা আাসেননি। তাদের এতো ভয় কিসের? এতো মুখ লুকানোর কী আছে? আমাদের সামনে আসার সৎ সাহস তাদের নেই কেন?
অরণি বলেন, প্রশাসনে আমাদের অভিভাবক যারা আছেন শিক্ষক যারা আছেন অর্থাৎ ভিসি আমাদের সাথে মতবিনিময় কিংবা দেখা করেননি। আমরা শতো ধিক জানাচ্ছি।
পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে রাশেদ খাঁন বলেন, আমরা যে পাঁচটি প্যানেল আছি তারা সবার সাথে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবো।
এর আগে দুপুরে রাজু ভাস্কর্য থেকে মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভিসির কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়েছিলেন আন্দোলনকারীরা।
অবস্থান কর্মসূচিতে অরণি বলেন, স্যার বলেছিলেন, আমাদের লিখিত অভিযোগ দিতে। আমরা দিয়েছি। কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। আমরা তিন দিনের সময় দিয়েছিলাম, কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। তাই আমরা এখন ভিসি স্যারের কার্যালয়ের সামনে এসে অবস্থান নিয়েছি। স্যার আমাদের কথা শুনতে বাধ্য।
জিএস প্রার্থী উম্মে হাবিবা বেনজির বলেন, আমরা ডাকসু নির্বাচনকে সাধুবাদ জানিয়েছিলাম। একটি স্বচ্ছ নির্বাচন সবাই আশা করেছিলাম। পাঁচটি প্যানেলের দাবি ছিল গেস্টরুম, গণরুমে নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। কিন্তু কোনো আশাই পূরণ হয়নি। এজন্য আজ আমাদের গণতান্ত্রিকভাবে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে।
আসিফুর রহমান আফিস বলেন, সারা দেশের মানুষ জানে, ১১ মার্চ নির্বাচন কারচুপি হয়েছে। কিন্তু প্রশাসন আমাদের প্রমাণ দিতে বলে। এখানে প্রমাণ দেয়ার কোনো দরকার নেই।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ