বৃহস্পতিবার ০২ জুলাই ২০২০
Online Edition

রমযানকে সামনে রেখে বেড়েছে পেঁয়াজ রসুন আদা ও আলুর দাম

খুলনা অফিস : মুসলিম সম্প্রদায়ের সিয়াম-সাধনার মাস মাহে রমযান। আর এ রমযানের বাকি মাত্র দুই সপ্তাহ। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও রমযানকে পুঁজি করে অধিক মুনাফার আশায় আগেভাগে ভোক্তাদের পকেট কাটতে শুরু করেছে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী। ইতোমধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে বেড়েছে পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও আলুর দাম। আর পাইকারীর চেয়ে খুচরা বাজারের তফাৎও অনেক বেশি।

খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, বাজারে পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও আলুর পর্যাপ্ত সরবরাহ রয়েছে। তবে দাম হু-হু করে বাড়ছে। পাশাপাশি পাইকারীর চেয়ে খুচরা দামের পার্থক্য অনেক বেশি। ব্যবসায়ীরা বলছে, এ বছর রমযানে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পাওয়ার কথা না। কারণ ভারতে পেঁয়াজের উৎপাদন অনেক বেশি। ফলে আমদানি মূল্যও কম। বড় ব্যবসায়ীদের কারসাজি ও সিন্ডিকেটের কারণে এসব পণ্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে এমনই মন্তব্য করেছেন একাধিক ব্যবসায়ী। এক মাসের ব্যবধানে এসব পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছেও অনেক। আর দাম স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কার্যকরী পদক্ষেপ না থাকায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভোক্তারা। 

গত শনিবার নগরীর রেলওয়ে স্টেশন রোডস্থ কদমতলা মোকামে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ (নাসিক) ২০ থেকে ২২ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ১৬ টাকা, রসুন (নাটোর) ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, রসুন (চায়না) ৯০ থেকে ৯৫ টাকা, আদা (ইন্দোনেশিয়া) ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, আদা (বার্মা) ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, দেশি আদা ৯০ টাকা, আলু ১১ থেকে সাড়ে ১২ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। অথচ বিভিন্ন খুচরা বাজারে কেজিপ্রতি দেশি পেঁয়াজ (নাসিক) ২৫ থেকে ৩০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ২৫ টাকা, রসুন (নাটোর) ৬০ থেকে ৭০ টাকা, রসুন (চায়না) ১১০ টাকা, আদা (ইন্দোনেশিয়া) ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা, আদা (বার্মা) ১০০ টাকা, দেশি আদা ১২০ টাকা, আলু ১৬ থেকে ১৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। 

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ