বুধবার ০৮ জুলাই ২০২০
Online Edition

ফেরিঘাটে তিতাসের মৃত্যু প্রতিবেদনের শুনানি ১৪ নবেম্বর

স্টাফ রিপোর্টার: মাদারীপুরের কাঁঠালবাড়ি ১ নম্বর ফেরিঘাটে দেরিতে ফেরি ছাড়ায় অ্যাম্বুলেন্সে থাকা স্কুলছাত্র তিতাস ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় হাইকোর্টে জমা দেয়া তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর শুনানির জন্য আগামী ১৪ নভেম্বর দিন ঠিক করেছেন আদালত। এ ঘটনায় তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর গতকাল বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ এই দিন ঠিক করে আদেশ দেন।

আদালতে গতকাল বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপক্ষে প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার এ বি এম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার। মামলায় দুই বিবাদীর পক্ষে শুনানিতে ছিলেন সিনিয়র আইনজীবী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন ও এ এম আমিন উদ্দিন। এর আগে বুধবার (৬ নভেম্বর) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দেয়া হয়।

ওই প্রতিবেদনে সরাসরি যুগ্ম-সচিবকে দায়ী না করা হলেও ফেরি অপেক্ষমাণ রাখায় এক্ষেত্রে তারও দায়বদ্ধতা রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ২৩ অক্টোবর তিতাসের মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন রাষ্ট্রপক্ষ আদালতে দাখিল করে। ওই প্রতিবেদনে দেরিতে ফেরি ছাড়ার জন্য দায়িত্বরত ফেরি ঘাটের তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়ী করেছে কমিটি। তদন্ত কমিটি যুগ্ম-সচিবের কোনো দোষ খুঁজে পায়নি।

পরে রিটকারী আইনজীবীর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ৭ নভেম্বরের মধ্যে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এ প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়া হয়। সে অনুযায়ী গতকাল এ প্রতিবেদন অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দেয়া হয়।

এই প্রতিবেদনে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে ৭ দফা সুপারিশ করা হয়েছে। নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও তদন্ত কমিটির সভাপতি সঞ্জয় কুমার বণিকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি এ প্রতিবেদন তৈরি করে। এর আগে ৩১ জুলাই প্রতিবেদন দাখিলে জনপ্রশাসন সচিবকে নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট।

অতিরিক্ত সচিবের নিচে নয়- এমন পদমর্যাদার কর্মকর্তার নেতৃত্বে এ তদন্ত করাবেন জনপ্রশাসন সচিব। একই সঙ্গে তিতাসের পরিবারকে কেন তিন কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

পরে এই কমিটির ৩৫ পৃষ্ঠার তদন্ত প্রতিবেদন হাইকোর্টে দাখিল করার জন্য গত ৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে জমা দেয়া হয়। ওই প্রতিবেদনে দেরিতে ফেরি ছাড়ার জন্য দায়িত্বরত ফেরি ঘাটের তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে দায়ী করে কমিটি। তদন্ত কমিটি যুগ্ম-সচিবের কোনো দোষ খুঁজে পায়নি।

 

মানবাধিকার সংগঠন লিগ্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড পিপলস রাইটসের চেয়ারম্যান ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. জহির উদ্দিন লিমন জনস্বার্থে এ রিট করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ