ঢাকা, বৃহস্পতিবার 13 June 2024, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩০, ০৬ জিলহজ্ব ১৪৪৫ হিজরী
Online Edition

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে উপচে পড়া পর্যটক

সংগ্রাম অনলাইন ডেস্ক: ঈদের টানা ছুটিতে দু'লাখ পর্যটকের আনাগোনায় মুখরিত এখন বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার। আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা জোরদারে কঠোর রয়েছে প্রশাসন।

কক্সবাজার সাগরের আছড়ে পড়ছে ঢেউ আর এই ঢেউতে ঝাঁপিয়ে পড়ছে বেড়াতে আসা লাখো পর্যটক। কেউ টিউব নিয়ে সাতার কাটছে, আবার কেউ জেড স্কিতে চড়ে ঘুরে আসছে সাগরের স্বচ্ছ নীল জলরাশিতে। অনেকে সামুদ্রের পাড়ে চেয়ারে বসে এবং ভ্রমণ করে সময় কাটাচ্ছে।

সমুদ্র সৈকত ছাড়াও পর্যটকরা ঘুরছে হিমছড়ি, ইনানী, পাটুয়ারটেক ও মেরিন ড্রাইভসহ অন্তত জেলার ১০টি পর্যটন কেন্দ্রে। আগত পর্যটকদের পদচারণায় উৎসবের নগরীতে পরিণত হয়েছে সাগরতীর। সব বয়সের মানুষ মেতেছন আনন্দ উল্লাসে।

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা সাইমা রহমান জানান, 'কক্সবাজার না এলে বুঝা যায় না এখানের মজাটা। তাই ঈদের ছুটিতে ছুটে এলাম সমুদ্রের পাড়ে'।

মোহাম্মদ রাব্বী নামে আরেক পর্যটক জানান, 'আমি প্রায়ই কক্সবাজার বেড়াতে আসি। অন্যন্য সময়ের তুলনায় এবারের নিরাপত্তাটা ভালো লেগেছে। টহল জোরদার ছিল ট্যুরিস্ট পুলিশের'।

পরিবার নিয়ে বেড়াতে আসা রাকিবুল ইসলাম জানান, ঢাকা শহর প্রচণ্ড গরম। এখানেও গরম। তবে সমুদ্রের ভালোলাগাটা আলাদা। তাই পরিবার নিয়ে ঘুরতে এসেছি। সমুদ্র সৈকতে গোসল করে আনন্দের পাশাপাশি ফিরে পেয়েছি স্বস্থি'।

পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা বলছেন, পুরো রমজানে কোনো ধরণের ব্যবসা হয়নি। এবার তা পুষিয়ে উঠছে। আশা করা যায় এই ঈদের ছুটিতে দুই লাখের বেশি পর্যটকের সমাগম হচ্ছে। এরই মধ্যে শহরে থাকা প্রায় ৫০০ হোটেল-মোটেল বুকিং হয়ে গেছে।

বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তার ব্যাপারে কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মোহাম্মদ শাহীন জানান, বেড়াতে আসা পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। এবার দুই লাখের বেশি পর্যটকদের সমাগম হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগত পর্যটকদের নিরাপত্তায় ট্যুরিস্ট পুলিশের পাশাপাশি দায়িত্ব পালন করছে বিচ কর্মী, লাইফ গার্ড হ অন্যান্য আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনী। এছাড়া জোরদার রয়েছে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট দ্বারা পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতের মোবাইল টিম। সকলের প্রত্যাশা বেড়াতে আসা পর্যটকের নিরাপদ ভ্রমণ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ