॥ আহমদ মতিউর রহমান ॥
অবশেষে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। স্থানীয় নির্বাচনে তার দল লেবার পার্টির বিপর্যয়ের পর তার পদত্যাগ নিয়ে দলের মধ্যে চাপ ছিল। মাসখানেক আগে তা নিয়ে লিখেওছিলাম। গত ৭ মে অনুষ্ঠিত স্থানীয় নির্বাচনে বড় ধরনের পরাজয়ের মুখে পড়ে লেবার পার্টি। ফল প্রকাশের পর লেবার পার্টি সরকার চাপের মুখে পড়ে। প্রশ্ন ছিল তার গদি টিকবে তো? প্রথমে পদত্যাগ করবেন না বললেও শেষ পর্যন্ত গদি টিকাতে পারলেন না স্টারমার। দু’বছরেরও কম সময় ক্ষমতায় থাকার পর গত ২২ জুন পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। ঘটনার ঘনঘটা তৈরি হতে, পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে মাসখানেক সময় নিয়েছে তিনি এই যা। এই পদত্যাগের মধ্য দিয়ে রাজনীতিতে অস্থিরতার ইঙ্গিত মিলছে।
অন্যদিকে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে প্রবাসী বাংলাদেশীদের একটি ভালো অবস্থান রয়েছে। বাংলাদেশী বংশোদ্ভূতরা এমপি মন্ত্রী মেয়র হয়েছেন। এবার ৮০ জন কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। পূর্ব লন্ডনের বাংলাদেশী অধ্যুষিত চার বরো (স্থানীয় কর্তৃৃপক্ষ) টাওয়ার হ্যামলেটস, নিউহাম, রেডব্রিজ ও বার্কিং অ্যান্ড ড্যাগেনহামে তারা কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। টাওয়ার হ্যামলেটসে অ্যাস্পায়ার পার্টি মনোনীত প্রার্থী লুৎফুর রহমান চতুর্থবারের মতো মেয়র নির্বাচিত হন। টাওয়ার হ্যামলেটস এলাকার পার্লামেন্টারি দুটি আসনের সংসদ সদস্য রুশনারা আলী ও আফসানা বেগমও বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। নিউহামের নির্বাহী মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত ফরহাদ হোসেন লেবার পার্টি থেকে। তিনি মূলধারার বড় দলের হয়ে নির্বাচিত প্রথম বাংলাদেশী মেয়র হিসেবে ইতিহাস গড়েছেন। ব্রিটেনে রাজনৈতিক সংকট বা সরকার পরিবর্তনে বাংলাদেশীদের উপর প্রভাব পড়ে।
আবার ফিরি স্টারমার প্রসঙ্গে। বিশ্লেষকরা বলছেন, নীতিগত অবস্থান থেকে সরে আসা ও জনসমর্থনে বড় পতনের মধ্যেই স্টারমারের এ সিদ্ধান্ত এলো। তার পদত্যাগের ফলে এক দশকের মধ্যে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে ব্রিটেন। কোন কোন দল নতুন নির্বাচনও চাইছে। ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের সামনে আবেগঘন ভাষণে স্টারমার বলেন, ‘যে সিদ্ধান্তই নিয়েছি, সবই ছিল প্রিয় দেশকে সবার আগে রাখার জন্য। সে কারণেই আমি পার্টি নেতার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’ উত্তরসূরি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে থাকবেন। গ্রীষ্মকালীন বিরতির পর সেপ্টেম্বরে পার্লামেন্ট অধিবেশনে ফেরার আগেই নতুন নেতা দায়িত্ব নেবেন।
পদত্যাগের ভাষণে তিনি আরো বলেন, ‘আমার উত্তরসূরিকেও আমি পূর্ণ ও নিঃশর্ত সমর্থন দেবো। কারণ তিনি এমন একটি ব্রিটেনের দায়িত্ব গ্রহণ করবেন, যা দু’বছর আগে আমি যে ব্রিটেনের দায়িত্ব নিয়েছিলাম, তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও ন্যায়সঙ্গত।’ তিনি এসব কথা বললেও বাস্তবতা ভিন্ন। সপ্তাহের শেষ পর্যন্তও তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকার ও রাজনৈতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানে অনড় ছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রণে ভঙ্গ দিলেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দলীয় চ্যালেঞ্জ ও পদত্যাগের দাবির মুখেও তিনি দীর্ঘদিন সেই অবস্থান ধরে রাখেন। তবে একের পর এক কেলেঙ্কারি এবং উচ্চপর্যায়ের পদত্যাগের ঘটনায় তার ও লেবার পার্টির ওপর চাপ ক্রমেই বেড়ে যায়। তার ঘোষণাটি এসেছে ব্রেক্সিট গণভোটের দশম বার্ষিকীর ঠিক এক দিন আগে। ওই গণভোটের ফলেই ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে যুক্তরাজ্যের বেরিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি হয় এবং দেশটিতে প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের নজিরবিহীন ধারা শুরু হয়।
স্টারমারের নেতৃত্বে ২০২৪ সালের নির্বাচনে লেবার বড় জয় পায়, আর ১৪ বছরের কনজারভেটিভ শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় ফেরে। ধারণা করা হচ্ছিল লেবারের জয়ের ধারা অব্যাহত থাকবে এবং দলটি স্থানীয় নির্বাচনে ভাল করবে। কিন্তু তা কার্যত হয়নি।
ব্রিটেনের ২০২৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচনে চমক দেখিয়েছিল দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকা লেবার পার্টি। স্থানীয় নির্বাচনের সফলতায় সে বছর জাতীয় নির্বাচনে বিশাল জয়ের মাধ্যমে সরকার গঠন করে দলটি। তবে মাত্র দু’বছরে রাজনীতির মাঠের চিত্র পাল্টে গেছে। লেবার ঘাঁটি হিসেবে খ্যাত বিভিন্ন কাউন্সিলে দলের আসন কমেছে। অন্যদিকে উল্লেখযোগ্য সফলতার মুখ দেখেছে অভিবাসী বিরোধী নেতা নাইজেল ফারাজের রিফর্ম ইউকে। রিফর্ম ইউকের উত্থান ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছিল। প্রাপ্ত ফলাফলে প্রথম স্থানে রয়েছে রিফর্ম ইউকে ও এর পরে রয়েছে লেবার পার্টি। তবে তার আসন অনেক কমেছে। নির্বাচনে ভরাডুবি নিয়ে স্টারমার বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকট ও আন্তর্জাতিক অস্থিরতার কারণে মানুষ পরিবর্তন আশা করলেও সেই পরিবর্তন এখনও অনুভব করছে না। স্থানীয় নির্বাচনে বড় সাফল্য পাওয়া রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাজ দাবি করেন, এ ফলাফল ব্রিটিশ রাজনীতিতে ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সূচনা। অন্যদিকে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকা কনজারভেটিভ পার্টিও নির্বাচনে ভালো ফলাফল করতে পারেনি, তারা আছে চতুর্থ অবস্থানে। তৃতীয় স্থানে লিবারেল ডেমক্রেট দল। এখন দেখা যাচ্ছে নাইজেলের কথাই সত্য প্রমাণিত হচ্ছে, রাজনীতিতে ঐতিহাসিক পরির্বতন এখন ঘটছে।
কেন দলের বিপর্যয়? বিশ্লেষকরা নানা জনে নানা কথা বলছেন। কারো কারো মতে, তার সরকার নানা বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছিল। কল্যাণ ভাতা কমানোর সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে প্রতিরক্ষা ব্যয় পরিকল্পনা নিয়ে সমালোচনা- এ ধরনে বিভিন্ন কারণে তার মেয়াদ সঙ্কটে পড়ে। মার্চ মাসে পরলোকগত মার্কিন যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টেইনের সহযোগী হিসেবে পরিচিত পিটার ম্যান্ডেলসনকে ওয়াশিংটনে যুক্তরাজ্যের রাষ্ট্রদূত নিয়োগের সিদ্ধান্ত তাকে প্রায় ক্ষমতাচ্যুতির মুখে ঠেলে দেয় বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। এছাড়া অভিবাসনবিরোধী কট্টর ডানপন্থী রিফর্ম ইউকে দলের দ্রুত উত্থানও তিনি ঠেকাতে পারেননি। মে মাসের স্থানীয় নির্বাচনে উক্ত দলটি লেবার পার্টিকে পরাজিত করলে স্টারমারের অবস্থান আরো দুর্বল হয়ে পড়ে।
২০১৬ সালের ব্রেক্সিট গণভোটের পর এক দশকে ছয় প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতা ছাড়তে বা পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে অল্প সময়ে এত বেশি নেতৃত্ব পরিবর্তনের নজির নেই। রাজনীতির এই অস্থিরতার সূচনা ২০১৬ সালে ব্রেক্সিট গণভোটের ফলাফলকে কেন্দ্র করে। ২০১৬ সালের ১৩ জুলাই তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনের পদত্যাগের মধ্য দিয়ে এই ধারার শুরু হয়। তিনি ২০১০ সালের ১১ মে প্রধানমন্ত্রী হন এবং টানা ৬ বছর দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৬ সালের ২৩ জুন ব্রেক্সিট গণভোটে ভোটাররা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ার পক্ষে রায় দেন। ফল প্রকাশের পর নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় দেশের জন্য নতুন নেতৃত্ব প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি পদত্যাগ করেন। ক্যামেরনের উত্তরসূরি হিসেবে ২০১৬ সালের ১৩ জুলাই দায়িত্ব নেন থেরেসা মে. যিনি দেশটির দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী। তিনি দায়িত্ব পালন করেন ৩ বছর। ব্রেক্সিট বাস্তবায়নের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে করা থেরেসার চুক্তি তিনবার যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে প্রত্যাখ্যাত হয়। দলীয় বিদ্রোহ, রাজনৈতিক অচলাবস্থা এবং ক্রমবর্ধমান চাপের মুখে তিনি বিদায় নেন।
২০১৯ সালের ২৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন বরিস জনসন। ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া শেষ করা এবং নির্বাচনে বিশাল জয় তাঁর জনপ্রিয়তা বাড়ায়, কিন্তু তা বেশি দিন স্থায়ী হয়নি। কোভিড লকডাউনের সময় ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টি আয়োজন নিয়ে ‘পার্টিগেট’ কেলেঙ্কারি, একের পর এক মন্ত্রীর পদত্যাগ এবং নিজ দলের এমপিদের আস্থা হারানোর ফলে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়। তিনি ৩ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। বরিস জনসনের উত্তরসূরি হিসেবে ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর দায়িত্ব নেন লিজ ট্রাস। কিন্তু তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্ব স্থায়ী হয় মাত্র ৪৯ দিন। শেষ পর্যন্ত নিজ দলের সমর্থন হারিয়ে ২০২২ সালের ২৫ অক্টোবর তিনি পদত্যাগ করেন। ভারতীয় বংশোদ্ভূত ঋষি সুনাক সে দিনউ প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি দায়িত্বে ছিলেন ১ বছর ৮ মাস।
স্টারমারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী অভিজ্ঞ রাজনীতিক অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। একটি উপনির্বাচনে জয় পাওয়ার পর সোমবার বার্নহ্যামের সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন তিনি। এর মধ্য দিয়ে পার্লামেন্টে তার প্রত্যাবর্তন ঘটল এবং দলীয় নেতৃত্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নেয়ার পথও পরিষ্কার হল। তিনি ১০ বছর ধরে দলীয় প্রধান হওয়ার লড়াইয়ে আছেন। স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণার পর বলেছেন যে তার উত্তরসূরি নির্বাচনের জন্য আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে মনোনয়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে। প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে কি কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই কেউ সরাসরি জয়ী হতে যাচ্ছেন? তবে সেটা মনে হয় হচ্ছে না। লেবার পার্টির ক্রমবর্ধমান সংখ্যক এমপি অন্তত তেমনটাই মনে করছেন। আর এই দৌড়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম। তিনি ইতিমধ্যে তার ইচ্ছাও ব্যক্ত করেছেন। অন্যরা প্রার্থী হলেও তিনি এগিয়ে থাকবেন আর খুব শিগগিরই প্রধানমন্ত্রী হতে যাচ্ছেন। এর আলামতও মিলেছে। বিবিসির খবর, স্টারমার গত মঙ্গলবার তাঁর সম্ভাব্য উত্তরসূরি বার্নহামের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়াকে ‘সুশৃঙ্খল’ রাখার লক্ষ্যে এমন বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। গত সপ্তাহে মেকারফিল্ড উপনির্বাচনে বার্নহামের জয়ের পর এটাই ছিল দু’নেতার প্রথম সাক্ষাৎ।
বিরোধী দলগুলো নানা প্রশ্ন নিয়ে হাজির হয়েছে। কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি ব্যাডেনক লেবার পার্টির নীতিমালা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি বলেন, ‘লেবার এমপিরা শুধু বেশি কর বসাতে চায়, যেন আরও বেশি ভাতা দেওয়া যায়। লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা এড ডেভি বলেন, ‘যুক্তরাজ্যের জনগণ বারবার প্রধানমন্ত্রী বদলের এই চক্রে বিরক্ত। সেখানে বাস্তবে কোনো পরিবর্তন হয় না।’ রিফর্ম ইউকে দলের নেতা নাইজেল ফারাজ একটি সাধারণ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘লেবাররা যদি মনে করে, আবারও একজন পেশাদার রাজনীতিককে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে বসাবে, তাহলে তারা ভুল করবে।’ তিনি নতুন নির্বাচনের যে দাবি জানিয়েছেন তা বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিক ইতিহাসে অস্থিরতা বা নেতৃত্ব পরিবর্তন নতুন কিছু নয়। তবে এত কম সময়ে প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তনের নজির বিরল। দেখা যায়, ১৯৭৯ সালে মার্গারেট থ্যাচার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ২০১৬ সালের ১৩ জুলাই ডেভিড ক্যামেরনের বিদায় পর্যন্ত প্রায় ৩৭ বছরে দেশটিতে মাত্র পাঁচজন প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব পালন করেছেন।
ব্রিটেনে জনমতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে ছয় জন প্রধানমন্ত্রী সরে গেলেও রাজনৈতিক সংকট মোটামুটি সামাল দেয়া গেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, কিন্ত ব্রেক্সিট পরবর্তী ১০ বছর ভাল কাটেনি ব্রিটেনবাসীর। নানা সংকট আষ্টেপৃষ্টে বিঁধেছে। যে আশায় ব্রেক্সিট হয়েছিল তাও অধরাই থেকে গেছে। এ সবেরই প্রমাণ স্বল্প সময়ে ছয় প্রধানমন্ত্রীর বিদায়। নতুন প্রধানমন্ত্রী তা কিভাবে সামাল দেন তা এখন দেখার বিষয়।
লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক।